সূরা আত তাওবাহ্ (التوبة) | পাপ থেকে ফিরে আসা
মাদানী সুরা মোট আয়াতঃ ১২৯
رَّبِّ اَعُوۡذُ بِکَ مِنۡ هَمَزٰتِ الشَّیٰطِیۡنِ
২৩:৯৭ – হে আমার প্রতিপালক! আমি শয়তানদের প্ররোচনা হতে আপনার আশ্রয় চাই।
وَاَعُوۡذُ بِکَ رَبِّ اَنۡ یَّحۡضُرُوۡنِ
২৩:৯৮ – হে আমার প্রতিপালক! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই যাতে তারা আমার কাছেও আসতে না পারে।
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু।
আয়াত-২৬ঃ
ثُمَّ (ছুম্মা → তারপর)
اَنۡزَلَ (আনযালা → তিনি অবতীর্ণ/নাজিল করেছেন)
اللّٰہُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
سَکِیۡنَتَہٗ (সাকীনাতাহূ → তাঁর প্রশান্তি)
عَلٰی (আলা → উপর)
رَسُوۡلِہٖ (রাসূলিহী → তাঁর প্রেরিত বার্তাবাহকের)
وَعَلَی (ওয়া ‘আলা → এবং উপর)
الۡمُؤۡمِنِیۡنَ (আল-মু’মিনীন → একনিষ্ঠ বিশ্বাসীদের)
وَاَنۡزَلَ (ওয়া আনযালা → এবং তিনি নাজিল করেছেন)
جُنُوۡدًا (জুনূদান → বাহিনীসমূহ)
لَّمۡ (লাম → যা না)
تَرَوۡہَا (তারাওহা → তোমরা দেখেছ)
وَعَذَّبَ (ওয়া ‘আযযাবা → এবং তিনি শাস্তি দিয়েছেন)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
کَفَرُوۡا (কাফারূ → সত্য অস্বীকার করেছে)
وَذٰلِکَ (ওয়া যালিকা → আর সেটিই)
جَزَآءُ (জাযাউ → প্রতিদান)
الۡکٰفِرِیۡنَ (আল-কাফিরীন → সত্য অস্বীকারকারীদের)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তারপর আল্লাহ তাঁর প্রেরিত বার্তাবাহক ও একনিষ্ঠ বিশ্বাসীদের উপর তাঁর প্রশান্তি অবতীর্ণ করলেন এবং এমন অবতীর্ণ করলেন, যা তোমরা দেখোনি। আর যারা সত্য অস্বীকার করেছিল, তিনি তাদের শাস্তি দিলেন। আর সেটিই সত্য অস্বীকারকারীদের প্রতিদান।
আয়াত-২৭ঃ
ثُمَّ (ছুম্মা → তারপর)
یَتُوۡبُ (ইয়াতূবু → ক্ষমা গ্রহণ করেন)
اللّٰہُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
مِنۡۢ (মিন → থেকে)
بَعۡدِ (বা‘দি → পরে)
ذٰلِکَ (যালিকা → তার)
عَلٰی (‘আলা → প্রতি)
مَنۡ (মান → যাকে)
یَّشَآءُ (ইয়াশাউ → তিনি ইচ্ছা করেন)
وَاللّٰہُ (ওয়াল্লাহু → আর আল্লাহ)
غَفُوۡرٌ (গাফূর → অতিশয় ক্ষমাশীল)
رَّحِیۡمٌ (রাহীম → পরম করুনাময়)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তারপর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তার ক্ষমা গ্রহণ করেন। আর আল্লাহ অতিশয় ক্ষমাশীল, পরম করুনাময়।
আয়াত-২৮ঃ
یٰۤاَیُّہَا (ইয়া আইয়ুহা → হে)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
اٰمَنُوۡۤا (আ-মানূ → বিশ্বাস করেছে)
اِنَّمَا (ইন্নামা → কেবলমাত্র)
الۡمُشۡرِکُوۡنَ (আল-মুশরিকূন → যারা অংশীদার স্থাপন করে)
نَجَسٌ (নাজাসুন → কলুষিত)
فَلَا (ফালা → অতএব না)
یَقۡرَبُوا (ইয়াকরাবূ → তারা নিকটবর্তী হোক)
الۡمَسۡجِدَ (আল-মাসজিদ → ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সমাবেশস্থল)
الۡحَرَامَ (আল-হারাম → সম্মানিত/নিষিদ্ধ)
بَعۡدَ (বা‘দা → পরে)
عَامِہِمۡ (‘আমিহিম → তাদের এই বছরের)
ہٰذَا (হাযা → এই)
وَاِنۡ (ওয়া ইন → এবং যদি)
خِفۡتُمۡ (খিফতুম → তোমরা আশঙ্কা করো)
عَیۡلَۃً (‘আইলাতান → দারিদ্র্য)
فَسَوۡفَ (ফাসাওফা → তবে শীঘ্রই)
یُغۡنِیۡکُمُ (ইউগনীকুম → তিনি তোমাদের অভাবমুক্ত করবেন)
اللّٰہُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
مِنۡ (মিন → থেকে)
فَضۡلِہٖ (ফাদলিহী → তাঁর অনুগ্রহ)
اِنۡ (ইন → যদি)
شَآءَ (শা-আ → তিনি ইচ্ছা করেন)
اِنَّ (ইন্না → নিশ্চয়ই)
اللّٰہَ (আল্লাহ → আল্লাহ)
عَلِیۡمٌ (‘আলীম → সর্বজ্ঞ)
حَکِیۡمٌ (হাকীম → প্রজ্ঞাময়)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
হে বিশ্বাসীগণ, কেবলমাত্র যারা অংশীদার স্থাপন করে তারাই কলুষিত। অতএব, তাদের এই বছরের পর তারা যেন সম্মানিত ন্যায় প্রতিষ্ঠার সমাবেশস্থলের নিকটবর্তী না হয়। আর যদি তোমরা দারিদ্র্যের ভয় করো, তবে আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাঁর অনুগ্রহ থেকে তোমাদের অভাবমুক্ত করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
আয়াত-২৯ঃ
قَاتِلُوا (কাতিলূ → তোমরা প্রতিরোধ করো/লড়াই করো)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
لَا (লা → না)
یُؤۡمِنُوۡنَ (ইউ’মিনূন → তারা বিশ্বাস করে)
بِاللّٰہِ (বিল্লাহ → আল্লাহর প্রতি)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
بِالۡیَوۡمِ (বিল-ইয়াওম → দিনের প্রতি)
الۡاٰخِرِ (আল-আখির → শেষ)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
یُحَرِّمُوۡنَ (ইউহাররিমূন → তারা নিষিদ্ধ করে)
مَا (মা → যা)
حَرَّمَ (হাররামা → নিষিদ্ধ করেছেন)
اللّٰہُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
وَرَسُوۡلُہٗ (ওয়া রাসূলুহূ → এবং তাঁর প্রেরিত বার্তাবাহক)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
یَدِیۡنُوۡنَ (ইয়াদীনূন → তারা অনুসরণ করে)
دِیۡنَ (দীন → জীবনব্যবস্থা)
الۡحَقِّ (আল-হাক্ক → সত্য)
مِنَ (মিনা → মধ্য থেকে)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
اُوۡتُوا (ঊতূ → দেওয়া হয়েছে)
الۡکِتٰبَ (আল-কিতাব → কিতাব)
حَتّٰی (হাত্তা → যতক্ষণ না)
یُعۡطُوا (ইউ‘তূ → তারা প্রদান করে)
الۡجِزۡیَۃَ (আল-জিযইয়াহ → প্রতিদান/বিনিময় দেওয়া)
عَنۡ (আন → থেকে)
یَّدٍ (ইয়াদ → হাত/ক্ষমতা)
وَّہُمۡ (ওয়া হুম → অথচ তারা)
صٰغِرُوۡنَ (সাগিরূন → মর্যাদায় নিম্ন হওয়া)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস করে না, আল্লাহ ও তাঁর প্রেরিত বার্তাবাহক যা নিষিদ্ধ করেছেন তা নিষিদ্ধ বলে মানে না এবং কিতাবপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে সত্য জীবনব্যবস্থাকে (দ্বীনকে) অনুসরণ করে না—তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করো, যতক্ষণ না তাদের ক্ষমতা/হাত হেয় হয়ে বিনিময় প্রদান করে।
আয়াত-৩০ঃ
وَقَالَتِ (ওয়া কা-লাতি → এবং বলেছে)
الۡیَہُوۡدُ (আল-ইয়াহূদ → ইহুদিরা/ অনুতপ্ত হয়ে ফিরে আসা সম্প্রদায়)
عُزَیۡرُۨ (‘উযাইর → উযাইর/শক্তিশালী করা/সমর্থন দিয়ে দৃঢ় করা)
ابۡنُ (ইবনু → পুত্র)
اللّٰہِ (আল্লাহ → আল্লাহ)
وَقَالَتِ (ওয়া কা-লাতি → এবং বলেছে)
النَّصٰرَی (আন-নাসারা → সাহায্যকারীরা)
الۡمَسِیۡحُ (আল-মাসীহ → মসীহ)
ابۡنُ (ইবনু → পুত্র)
اللّٰہِ (আল্লাহ → আল্লাহ)
ذٰلِکَ (যালিকা → সেটিই)
قَوۡلُہُمۡ (কাওলুহুম → তাদের বক্তব্য)
بِاَفۡوَاہِہِمۡ (বিআফওয়াহিহিম → তাদের মুখের মাধ্যমে)
یُضَاہِـُٔوۡنَ (ইউদাহিঊন → তারা অনুকরণ করে)
قَوۡلَ (কাওলা → বক্তব্য)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
کَفَرُوۡا (কাফারূ → সত্য অস্বীকার করেছে)
مِنۡ (মিন → থেকে)
قَبۡلُ (কাবলু → পূর্বে)
قٰتَلَہُمُ (কাতালাহুম → তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন)
اللّٰہُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
اَنّٰی (আন্না → কীভাবে)
یُؤۡفَکُوۡنَ (ইউ’ফাকূন → তারা সত্য থেকে বিমুখ হয়/বিভ্রান্ত হয়)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর যারা অনুতপ্ত হয়ে ফিরে আসে (ইহুদিরা) তারা বলেছে, ‘উযাইর আল্লাহর পুত্র; এবং সাহায্যকারীরা বলেছে, ‘মসীহ আল্লাহর পুত্র।’ সেটিই তাদের মুখের বক্তব্য। পূর্বে যারা সত্য অস্বীকার করেছে, তারা তাদের বক্তব্যেরই অনুকরণ করে। আল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তারা কীভাবে সত্য থেকে বিমুখ হয়?
আয়াত-৩১ঃ
اِتَّخَذُوۡۤا (ইত্তাখাযূ → তারা গ্রহণ করেছে)
اَحۡبَارَہُمۡ (আহবারাহুম → তাদের ধর্মীয় জ্ঞানীদের)
وَرُہۡبَانَہُمۡ (ওয়া রুহবানাহুম → এবং তাদের সংসারত্যাগী সাধকদের)
اَرۡبَابًا (আরবাবান → প্রতিপালক/কর্তৃত্বশীল হিসেবে)
مِّنۡ (মিন → থেকে)
دُوۡنِ (দূন → ছাড়া)
اللّٰہِ (আল্লাহ → আল্লাহ)
وَالۡمَسِیۡحَ (ওয়াল-মাসীহ → এবং মসীহকে)
ابۡنَ (ইবনা → পুত্র)
مَرۡیَمَ (মারইয়াম → মরিয়মের)
وَمَاۤ (ওয়া মা → অথচ না)
اُمِرُوۡۤا (উমিরূ → তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল)
اِلَّا (ইল্লা → ব্যতীত)
لِیَعۡبُدُوۡۤا (লিয়া‘বুদূ → যেন তারা দাসত্ব করে)
اِلٰـہًا (ইলাহান → বিধানদাতা)
وَّاحِدًا (ওয়াহিদান → একমাত্র)
لَاۤ (লা → নেই)
اِلٰہَ (ইলাহা → বিধানদাতা)
اِلَّا (ইল্লা → ছাড়া)
ہُوَ (হুওয়া → তিনি)
سُبۡحٰنَہٗ (সুবহানাহূ → তিনি পবিত্র)
عَمَّا (‘আম্মা → তা থেকে যা)
یُشۡرِکُوۡنَ (ইউশরিকূন → তারা অংশীদার স্থাপন করে)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে তাদের ধর্মীয় পন্ডিত ও সংসারত্যাগী সাধকদের এবং মরিয়মের পুত্র মসীহকে প্রতিপালক হিসেবে গ্রহণ করেছে। অথচ তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল একমাত্র এক বিধানদাতার দাসত্ব করতে। তিনি ছাড়া কোনো বিধানদাতা নেই। তারা যে অংশীদার স্থাপন করে, তা থেকে তিনি পবিত্র।
আয়াত-৩২ঃ
یُرِیۡدُوۡنَ (ইউরীদূন → তারা চায়)
اَنۡ (আন → যে)
یُّطۡفِـُٔوۡا (ইউতফিঊ → তারা নিভিয়ে দিতে)
نُوۡرَ (নূর → আলো)
اللّٰہِ (আল্লাহ → আল্লাহ)
بِاَفۡوَاہِہِمۡ (বিআফওয়াহিহিম → তাদের মুখের মাধ্যমে)
وَیَاۡبَی (ওয়া ইয়া‘বা → অথচ তিনি অস্বীকার করেন)
اللّٰہُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
اِلَّاۤ (ইল্লা → ছাড়া)
اَنۡ (আন → যে)
یُّتِمَّ (ইউতিম্মা → তিনি পূর্ণ করবেন)
نُوۡرَہٗ (নূরাহূ → তাঁর আলো)
وَلَوۡ (ওয়া লাও → যদিও)
کَرِہَ (কারিহা → অপছন্দ করে)
الۡکٰفِرُوۡنَ (আল-কাফিরূন → অস্বীকারকারীরা)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তারা তাদের মুখের কথার মাধ্যমে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায়; অথচ অস্বীকারকারীরা অপছন্দ করলেও আল্লাহ তাঁর আলো পূর্ণ করতেই চান।
আয়াত-৩৩ঃ
ہُوَ (হুওয়া → তিনি)
الَّذِیۡۤ (আল্লাযী → যিনি)
اَرۡسَلَ (আরসালা → প্রেরণ করেছেন)
رَسُوۡلَہٗ (রাসূলাহূ → তাঁর প্রেরিত বার্তাবাহককে)
بِالۡہُدٰی (বিল-হুদা → পথনির্দেশসহ)
وَدِیۡنِ (ওয়া দীন → এবং জীবনব্যবস্থা)
الۡحَقِّ (আল-হাক্ক → সত্য)
لِیُظۡہِرَہٗ (লিইউযহিরাহূ → যেন তিনি তাকে প্রতিষ্ঠিত করেন)
عَلَی (আলা → উপর)
الدِّیۡنِ (আদ-দীন → জীবনব্যবস্থাসমূহের)
کُلِّہٖ (কুল্লিহী → সবগুলোর)
وَلَوۡ (ওয়া লাও → যদিও)
کَرِہَ (কারিহা → অপছন্দ করে)
الۡمُشۡرِکُوۡنَ (আল-মুশরিকূন → যারা অংশীদার স্থাপন করে)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তিনিই, যিনি তাঁর প্রেরিত বার্তাবাহককে (রাসূলকে) পথনির্দেশ এবং সত্য জীবনব্যবস্থাসহ (দ্বীনসহ) প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি এটিকে সব জীবনব্যবস্থার (দ্বীনের) উপর প্রতিষ্ঠিত করেন—যদিও যারা অংশীদার স্থাপন করে তারা তা অপছন্দ করে।
আয়াত-৩৪ঃ
یٰۤاَیُّہَا (ইয়া আইয়ুহা → হে)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
اٰمَنُوۡۤا (আ-মানূ → বিশ্বাস করেছে)
اِنَّ (ইন্না → নিশ্চয়ই)
کَثِیۡرًا (কাছীরান → অনেক)
مِّنَ (মিনা → মধ্য থেকে)
الۡاَحۡبَارِ (আল-আহবার → ধর্মীয় জ্ঞানীদের)
وَالرُّہۡبَانِ (ওয়ার-রুহবান → এবং সংসারত্যাগী সাধকদের)
لَیَاۡکُلُوۡنَ (লাইয়া’কুলূন → তারা অবশ্যই ভক্ষণ করে)
اَمۡوَالَ (আমওয়াল → সম্পদ)
النَّاسِ (আন-নাস → মানুষের)
بِالۡبَاطِلِ (বিল-বাতিল → অন্যায়ভাবে মাধ্যমে)
وَیَصُدُّوۡنَ (ওয়া ইয়াসুদ্দূন → এবং তারা বাধা দেয়)
عَنۡ (‘আন → থেকে)
سَبِیۡلِ (সাবীল → পথ)
اللّٰہِ (আল্লাহ → আল্লাহ)
وَالَّذِیۡنَ (ওয়াল্লাযীনা → এবং যারা)
یَکۡنِزُوۡنَ (ইয়াকনিযূন → সঞ্চয় করে)
الذَّہَبَ (আয-যাহাব → স্বর্ণ)
وَالۡفِضَّۃَ (ওয়াল-ফিদ্দাহ → এবং রৌপ্য)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
یُنۡفِقُوۡنَہَا (ইউনফিকূনাহা → তারা তা ব্যয় করে)
فِیۡ (ফী → মধ্যে)
سَبِیۡلِ (সাবীল → পথে)
اللّٰہِ (আল্লাহ → আল্লাহ)
فَبَشِّرۡہُمۡ (ফাবাশশিরহুম → অতএব তাদের সুসংবাদ দাও)
بِعَذَابٍ (বি‘আযাব → শাস্তির)
اَلِیۡمٍ (আলীম → যন্ত্রণাদায়ক)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
হে বিশ্বাসীগণ, নিশ্চয়ই অনেক ধর্মীয় পন্ডিত ও সংসারত্যাগী সাধক অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ ভক্ষণ করে এবং আল্লাহর পথ থেকে বাধা দেয়। আর যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য সঞ্চয় করে রাখে এবং তা আল্লাহর পথে ব্যয় করে না—তাদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দাও।
আয়াত-৩৫ঃ
یَّوۡمَ (ইয়াওমা → যেদিন)
یُحۡمٰی (ইউহমা → উত্তপ্ত করা হবে)
عَلَیۡہَا (আলাইহা → তার ওপর)
فِیۡ (ফী → মধ্যে)
نَارِ (নারি → আগুন)
جَہَنَّمَ (জাহান্নাম → ভয়ংকর শাস্তির স্থান)
فَتُکۡوٰی (ফাতুকওয়া → তখন দগ্ধ করা হবে)
بِہَا (বিহা → তা দ্বারা)
جِبَاہُہُمۡ (জিবাহুহুম → তাদের কপালসমূহ)
وَجُنُوۡبُہُمۡ (ওয়া জুনূবুহুম → এবং তাদের পার্শ্বসমূহ)
وَظُہُوۡرُہُمۡ (ওয়া যুহূরুহুম → এবং তাদের পিঠসমূহ)
ہٰذَا (হাযা → এটি)
مَا (মা → যা)
کَنَزۡتُمۡ (কানাযতুম → তোমরা সঞ্চয় করেছিলে)
لِاَنۡفُسِکُمۡ (লিআনফুসিকুম → নিজেদের জন্য)
فَذُوۡقُوۡا (ফাযূকূ → অতএব আস্বাদন করো)
مَا (মা → যা)
کُنۡتُمۡ (কুনতুম → তোমরা ছিলে)
تَکۡنِزُوۡنَ (তাকনিযূন → সঞ্চয় করছিলে)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যেদিন তাকে ভয়ংকর শাস্তির স্থানের মধ্যে আগুনে উত্তপ্ত করা হবে, তখন তা দ্বারা তাদের কপাল, পার্শ্বদেশ ও পিষ্ঠদেশ দগ্ধ করা হবে। আর এটাই তা, যা তোমরা নিজেদের জন্য সঞ্চয় করেছিলে। অতএব, তোমরা যা সঞ্চয় করতে, তা আস্বাদন করো।
আয়াত-৩৬ঃ
اِنَّ (ইন্না → নিশ্চয়ই)
عِدَّۃَ (ইদ্দাতা → সংখ্যা)
الشُّہُوۡرِ (আশ-শুহূর → মাসসমূহের)
عِنۡدَ (ইনদা → নিকট)
اللّٰہِ (আল্লাহ → আল্লাহ)
اثۡنَا (ইসনা → বারো)
عَشَرَ (আশারা → সংখ্যা)
شَہۡرًا (শাহরান → মাস)
فِیۡ (ফী → মধ্যে)
کِتٰبِ (কিতাবি → কিতাবে)
اللّٰہِ (আল্লাহ → আল্লাহ)
یَوۡمَ (ইয়াওমা → যেদিন)
خَلَقَ (খালাকা → সৃষ্টি করেছেন)
السَّمٰوٰتِ (আস-সামাওয়াত → আকাশমণ্ডলীসমূহ)
وَالۡاَرۡضَ (ওয়াল-আরদ → এবং পৃথিবী)
مِنۡہَا (মিনহা → তার মধ্য থেকে)
اَرۡبَعَۃٌ (আরবা‘আতু → চারটি)
حُرُمٌ (হুরুম → সম্মানিত/নিষিদ্ধ)
ذٰلِکَ (যালিকা → সেটিই)
الدِّیۡنُ (আদ-দীন → জীবনব্যবস্থা)
الۡقَیِّمُ (আল-কাইয়িম → সুপ্রতিষ্ঠিত)
فَلَا (ফালা → অতএব না)
تَظۡلِمُوۡا (তাজলিমূ → তোমরা অন্যায় করো)
فِیۡہِنَّ (ফীহিন্না → সেগুলোর মধ্যে)
اَنۡفُسَکُمۡ (আনফুসাকুম → নিজেদের)
وَقَاتِلُوا (ওয়া কাতিলূ → এবং প্রতিরোধ করো/লড়াই করো)
الۡمُشۡرِکِیۡنَ (আল-মুশরিকীন → যারা অংশীদার স্থাপন করে)
کَآفَّۃً (কাফফাতান → সমগ্রভাবে)
کَمَا (কামা → যেমন)
یُقَاتِلُوۡنَکُمۡ (ইউকাতিলূনাকুম → তারা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে)
کَآفَّۃً (কাফফাতান → সমগ্রভাবে)
وَاعۡلَمُوۡۤا (ওয়া‘লামূ → এবং জেনে রাখো)
اَنَّ (আন্না → নিশ্চয়ই)
اللّٰہَ (আল্লাহ → আল্লাহ)
مَعَ (মা‘আ → সঙ্গে)
الۡمُتَّقِیۡنَ (আল-মুত্তাকীন → খোদাভীরুদের)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা বারোটি—যেদিন তিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, সেদিন থেকেই আল্লাহর কিতাবে তা নির্ধারিত; এর মধ্যে চারটি সম্মানিত/নিষিদ্ধ। সেটিই সুপ্রতিষ্ঠিত জীবনব্যবস্থা। অতএব, এসব মাসের মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অন্যায় করো না। আর যারা অংশীদার স্থাপন করে তাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করো, যেমন তারা সম্মিলিতভাবে তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে। আর জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ খোদাভীরুদের (মুত্তাকীদের) সঙ্গেই আছেন।
আয়াত-৩৭ঃ
اِنَّمَا (ইন্নামা → কেবলমাত্র)
النَّسِیۡٓءُ (আন-নাসী → বিলম্ব/পিছিয়ে দেওয়া)
زِیَادَۃٌ (যিয়াদাতুন → বৃদ্ধি)
فِی (ফী → মধ্যে)
الۡکُفۡرِ (আল-কুফর → সত্য অস্বীকারে)
یُضَلُّ (ইুদাল্লু → বিপথগামী করা হয়)
بِہِ (বিহী → এর মাধ্যমে)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
کَفَرُوۡا (কাফারূ → সত্য অস্বীকার করেছে)
یُحِلُّوۡنَہٗ (ইউহিল্লূনাহূ → তারা বৈধ করে)
عَامًا (আমান → এক বছর)
وَّیُحَرِّمُوۡنَہٗ (ওয়া ইউহাররিমূনাহূ → এবং তারা নিষিদ্ধ করে)
عَامًا (আমান → আরেক বছর)
لِّیُوَاطِـُٔوۡا (লিইউওয়াতিঊ → যেন তারা সামঞ্জস্য করে)
عِدَّۃَ (ইদ্দাতা → সংখ্যা)
مَا (মা → যা)
حَرَّمَ (হাররামা → নিষিদ্ধ করেছেন)
اللّٰہُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
فَیُحِلُّوۡا (ফাইউহিল্লূ → অতঃপর তারা বৈধ করে)
مَا (মা → যা)
حَرَّمَ (হাররামা → নিষিদ্ধ করেছেন)
اللّٰہُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
زُیِّنَ (যুয়্যিনা → সুশোভিত/সুন্দর করে দেখানো হয়েছে)
لَہُمۡ (লাহুম → তাদের কাছে)
سُوۡٓءُ (সূ → মন্দ)
اَعۡمَالِہِمۡ (আ‘মালিহিম → তাদের কর্মসমূহ)
وَاللّٰہُ (ওয়াল্লাহু → আর আল্লাহ)
لَا (লা → না)
یَہۡدِی (ইয়াহদী → পথনির্দেশ করেন)
الۡقَوۡمَ (আল-কাওম → সম্প্রদায়কে)
الۡکٰفِرِیۡنَ (আল-কাফিরীন → অস্বীকারকারীদের)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
কেবলমাত্র মাস পিছিয়ে দেওয়া— তাদের মধ্যে বৃদ্ধি করে কুফুরি (অবিশ্বাস) । এর মাধ্যমে যারা অবিশ্বাসী তারা বিপথগামী হয়। তারা এক বছর সেটিকে বৈধ করে এবং আরেক বছর নিষিদ্ধ করে, যাতে তারা যা নিষিদ্ধ করে তার সংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পারে; অতঃপর তারা আল্লাহ যা নিষিদ্ধ করেছেন তা বৈধ করে। তাদের মন্দ কর্মসমূহ তাদের কাছে সুশোভিত করে দেখানো হয়েছে। আর আল্লাহ সত্য অস্বীকারকারী সম্প্রদায়কে পথনির্দেশ (হিদায়েত) প্রদান করেন না।”
আয়াত-৩৮ঃ
یٰۤاَیُّہَا (ইয়া আইয়ুহা → হে)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
اٰمَنُوۡا (আ-মানূ → বিশ্বাস করেছে)
مَا (মা → কী হলো)
لَکُمۡ (লাকুম → তোমাদের)
اِذَا (ইযা → যখন)
قِیۡلَ (কীলা → বলা হয়)
لَکُمُ (লাকুমু → তোমাদেরকে)
انۡفِرُوۡا (ইনফিরূ → তোমরা বের হয়ে যাও)
فِیۡ (ফী → মধ্যে)
سَبِیۡلِ (সাবীল → পথ)
اللّٰہِ (আল্লাহ → আল্লাহ)
اثَّاقَلۡتُمۡ (ইছ্ছাকালতুম → তোমরা ভারী হয়ে পড়েছ/অনাগ্রহ দেখিয়েছ)
اِلَی (ইলা → দিকে)
الۡاَرۡضِ (আল-আরদ → পার্থিব জীবনের)
اَرَضِیۡتُمۡ (আরাদীতুম → তোমরা কি সন্তুষ্ট হয়েছ)
بِالۡحَیٰوۃِ (বিল-হায়াত → জীবনের প্রতি)
الدُّنۡیَا (আদ-দুনইয়া → পার্থিব)
مِنَ (মিনা → অপেক্ষা)
الۡاٰخِرَۃِ (আল-আখিরাহ → পরকাল)
فَمَا (ফামা → অতএব কী)
مَتَاعُ (মাতা‘ → ভোগ্যসামগ্রী)
الۡحَیٰوۃِ (আল-হায়াত → জীবনের)
الدُّنۡیَا (আদ-দুনইয়া → পার্থিব)
فِی (ফী → মধ্যে)
الۡاٰخِرَۃِ (আল-আখিরাহ → পরকাল)
اِلَّا (ইল্লা → ছাড়া)
قَلِیۡلٌ (কালীল → অল্প)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
“হে বিশ্বাসীগণ, তোমাদের কী হলো—যখন তোমাদের বলা হয়, ‘আল্লাহর পথে বের হয়ে যাও, তখন তোমরা পৃথিবীর প্রতি আগ্রহী হয়ে পড়ো? তোমরা কি পরকালের তুলনায় পার্থিব জীবনে সন্তুষ্ট হয়ে গেছ? অথচ পরকালের তুলনায় পার্থিব জীবনের ভোগ-উপভোগ অতি সামান্য।”
আয়াত-৩৯ঃ
اِلَّا (ইল্লা → যদি না)
تَنۡفِرُوۡا (তানফিরূ → তোমরা বের হয়ে যাও)
یُعَذِّبۡکُمۡ (ইউ‘আযযিবকুম → তিনি তোমাদের শাস্তি দেবেন)
عَذَابًا (আযাবান → শাস্তি)
اَلِیۡمًا (আলীমা → যন্ত্রণাদায়ক)
وَّیَسۡتَبۡدِلۡ (ওয়া ইয়াস্তাবদিল → এবং তিনি পরিবর্তে গ্রহণ করবেন)
قَوۡمًا (কাওমান → এক সম্প্রদায়কে)
غَیۡرَکُمۡ (গাইরাকুম → তোমাদের ছাড়া অন্য)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
تَضُرُّوۡہُ (তাদুররূহু → তোমরা তাঁর কোনো ক্ষতি করতে পারবে)
شَیۡئًا (শাইআন → কোনো কিছু)
وَاللّٰہُ (ওয়াল্লাহু → আর আল্লাহ)
عَلٰی (আলা → উপর)
کُلِّ (কুল্লি → প্রত্যেক)
شَیۡءٍ (শাই → বিষয়/বস্তু)
قَدِیۡرٌ (কাদীর → সর্বশক্তিমান)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যদি তোমরা না বের হও , তবে তিনি তোমাদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দেবেন এবং তোমাদের পরিবর্তে অন্য এক সম্প্রদায়কে গ্রহণ করবেন; আর তোমরা তাঁর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। আর আল্লাহ প্রত্যেক বিষয়ের ওপর সর্বশক্তিমান।
আয়াত-৪০ঃ
اِلَّا (ইল্লা → যদি না)
تَنۡصُرُوۡہُ (তানসুরূহু → তোমরা তাকে সাহায্য করো)
فَقَدۡ (ফাকাদ → তবে অবশ্যই)
نَصَرَہُ (নাসারাহু → তাঁকে সাহায্য করেছেন)
اللّٰہُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
اِذۡ (ইয → যখন)
اَخۡرَجَہُ (আখরাজাহু → তাঁকে বের করে দিয়েছিল)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
کَفَرُوۡا (কাফারূ → অস্বীকার করেছিল)
ثَانِیَ (ছানিয়া → দ্বিতীয়জন হিসেবে)
اثۡنَیۡنِ (ইছনাইনি → দুজনের)
اِذۡ (ইয → যখন)
ہُمَا (হুমা → তারা দুজন)
فِی (ফী → মধ্যে)
الۡغَارِ (আল-গার → গুহায়)
اِذۡ (ইয → যখন)
یَقُوۡلُ (ইয়াকূলু → তিনি বলছিলেন)
لِصَاحِبِہٖ (লিসাহিবিহী → তাঁর সঙ্গীকে)
لَا (লা → না)
تَحۡزَنۡ (তাহযান → তুমি দুঃখ করো)
اِنَّ (ইন্না → নিশ্চয়ই)
اللّٰہَ (আল্লাহ → আল্লাহ)
مَعَنَا (মা‘আনা → আমাদের সঙ্গে)
فَاَنۡزَلَ (ফাআনযালা → অতঃপর তিনি নাজিল করলেন)
اللّٰہُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
سَکِیۡنَتَہٗ (সাকীনাতাহূ → তাঁর প্রশান্তি)
عَلَیۡہِ (আলাইহি → তাঁর ওপর)
وَاَیَّدَہٗ (ওয়া আইয়াদাহূ → এবং তাঁকে শক্তিশালী করলেন)
بِجُنُوۡدٍ (বিজুনূদিন → বাহিনী দ্বারা)
لَّمۡ (লাম → যা না)
تَرَوۡہَا (তারাওহা → তোমরা দেখেছ)
وَجَعَلَ (ওয়া জা‘আলা → এবং তিনি করেছেন)
کَلِمَۃَ (কালিমাতা → বাণীকে)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
کَفَرُوۡا (কাফারূ → অস্বীকার করেছিল)
السُّفۡلٰی (আস-সুফলা → নিম্নতর/পরাভূত)
وَکَلِمَۃُ (ওয়া কালিমাতু → আর বাণী)
اللّٰہِ (আল্লাহ → আল্লাহ)
ہِیَ (হিয়া → সেটিই)
الۡعُلۡیَا (আল-‘উলইয়া → সর্বোচ্চ)
وَاللّٰہُ (ওয়াল্লাহু → আর আল্লাহ)
عَزِیۡزٌ (‘আযীয → পরাক্রমশালী)
حَکِیۡمٌ (হাকীম → প্রজ্ঞাময়)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না করো, তবে অবশ্যই আল্লাহ তাঁকে সাহায্য করেছেন—যখন অবিশ্বাসীরা তাঁকে বের করে দিয়েছিল, তখন তিনি ছিলেন দুজনের দ্বিতীয়জন; যখন তারা দুজন গুহায় ছিল, তখন তিনি তাঁর সঙ্গীকে বলেছিলেন, ‘তুমি দুঃখ করো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।’ অতঃপর আল্লাহ সেটির উপর তাঁর প্রশান্তি নাজিল করলেন এবং তাঁকে এমন বাহিনী দ্বারা শক্তিশালী করলেন, যা তোমরা দেখোনি। আর তিনি অবিশ্বাসীদের কালিমাকে (বাণীকে) পরাভূত করলেন এবং আল্লাহর কালিমাই (বাণীকেই) সর্বোচ্চ ও প্রতিষ্ঠিত করলেন। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।”
আয়াত-৪১ঃ
اِنۡفِرُوۡا (ইনফিরূ → তোমরা বের হয়ে যাও)
خِفَافًا (খিফাফান → হালকা অবস্থায়)
وَّثِقَالًا (ওয়া ছিকালান → এবং ভারী অবস্থায়)
وَّجَاہِدُوۡا (ওয়া জাহিদূ → এবং সাধনা/একনিষ্ঠ প্রচেষ্টা করো)
بِاَمۡوَالِکُمۡ (বিআমওয়ালিকুম → তোমাদের সম্পদ দ্বারা)
وَاَنۡفُسِکُمۡ (ওয়া আনফুসিকুম → এবং নিজেদের দ্বারা)
فِیۡ (ফী → মধ্যে/পথে)
سَبِیۡلِ (সাবীল → পথ)
اللّٰہِ (আল্লাহ → আল্লাহ)
ذٰلِکُمۡ (যালিকুম → সেটিই তোমাদের জন্য)
خَیۡرٌ (খাইর → উত্তম)
لَّکُمۡ (লাকুম → তোমাদের জন্য)
اِنۡ (ইন → যদি)
کُنۡتُمۡ (কুনতুম → তোমরা হও)
تَعۡلَمُوۡنَ (তা‘লামূন → তোমরা জানো)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তোমরা হালকা অবস্থায় হোক বা ভারী অবস্থায় হোক, বের হয়ে যাও এবং তোমাদের সম্পদ ও নিজেদের (নফস) দ্বারা আল্লাহর পথে সাধনা ও একাগ্রতার সহিত প্রচেষ্টা (জিহাদ) করো। সেটিই তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা জানতে।
আয়াত-৪২ঃ
لَوۡ (লাও → যদি)
کَانَ (কানা → হতো)
عَرَضًا (‘আরাদান → আকস্মিকভাবে/সাময়িকভাবে উপস্থিত)
قَرِیۡبًا (কারীবান → নিকটবর্তী)
وَّسَفَرًا (ওয়া সাফারান → এবং সফর)
قَاصِدًا (কাসিদান → সহজ)
لَّاتَّبَعُوۡکَ (লাত্তাবা‘উকা → তারা অবশ্যই তোমার অনুসরণ করত)
وَلٰکِنۡ (ওয়া লাকিন → কিন্তু)
بَعُدَتۡ (বা‘ুদাত → দূর হয়ে গেছে)
عَلَیۡہِمُ (‘আলাইহিম → তাদের জন্য)
الشُّقَّۃُ (আশ-শুক্কাহ → পথের দূরত্ব)
وَسَیَحۡلِفُوۡنَ (ওয়া সাইয়াহলিফূন → এবং তারা শপথ করবে)
بِاللّٰہِ (বিল্লাহ → আল্লাহর নামে)
لَوِ (লাও → যদি)
اسۡتَطَعۡنَا (ইস্তাতা‘না → আমরা সক্ষম হতাম)
لَخَرَجۡنَا (লাখারাজনা → তবে আমরা অবশ্যই বের হতাম)
مَعَکُمۡ (মা‘আকুম → তোমাদের সঙ্গে)
یُہۡلِکُوۡنَ (ইউহলিকূন → তারা ধ্বংস করে)
اَنۡفُسَہُمۡ (আনফুসাহুম → নিজেদের)
وَاللّٰہُ (ওয়াল্লাহু → আর আল্লাহ)
یَعۡلَمُ (ইয়া‘লামু → জানেন)
اِنَّہُمۡ (ইন্নাহুম → নিশ্চয়ই তারা)
لَکٰذِبُوۡنَ (লাকাযিবূন → অবশ্যই মিথ্যাবাদী)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যদি নিকটে কোনো সাময়িকভাবে উপস্থিতর সুযোগ এবং সহজ কোনো সফর হতো, তবে তারা অবশ্যই তোমার অনুসরণ করত। কিন্তু তাদের জন্য পথের দূরত্ব ও কষ্ট কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর তারা আল্লাহর নামে শপথ করে বলবে, ‘আমরা সক্ষম হলে অবশ্যই তোমাদের সঙ্গে বের হতাম।’ তারা নিজেদেরই ধ্বংস করে। আর আল্লাহ জানেন, নিশ্চয়ই তারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।
আয়াত-৪৩ঃ
عَفَا (আফা → ক্ষমা করেছেন)
اللّٰہُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
عَنۡکَ (‘আনকা → তোমাকে)
لِمَ (লিমা → কেন)
اَذِنۡتَ (আযিনতা → তুমি অনুমতি দিলে)
لَہُمۡ (লাহুম → তাদেরকে)
حَتّٰی (হাত্তা → যতক্ষণ না)
یَتَبَیَّنَ (ইয়াতাবাইয়্যানা → স্পষ্ট হয়ে যায়)
لَکَ (লাকা → তোমার কাছে)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
صَدَقُوۡا (সাদাকূ → সত্য বলেছে)
وَتَعۡلَمَ (ওয়া তা‘লামা → এবং তুমি জানতে পারো)
الۡکٰذِبِیۡنَ (আল-কাযিবীন → মিথ্যাবাদীদের)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
“আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করেছেন। কারা সত্যবাদী তোমার কাছে তা স্পষ্ট হওয়া এবং কারা মিথ্যাবাদী তা না জানা পর্যন্ত তুমি তাদেরকে অনুমতি কেন দিলে?
আয়াত-৪৪ঃ
لَا (লা → না)
یَسۡتَاۡذِنُکَ (ইয়াস্তাযিনুকা → তোমার কাছে অনুমতি চায়)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
یُؤۡمِنُوۡنَ (ইউ’মিনূন → বিশ্বাস করে)
بِاللّٰہِ (বিল্লাহ → আল্লাহর প্রতি)
وَالۡیَوۡمِ (ওয়াল-ইয়াওম → এবং দিনের)
الۡاٰخِرِ (আল-আখির → শেষ)
اَنۡ (আন → যে)
یُّجَاہِدُوۡا (ইউজাহিদূ → তারা একাগ্রতার সহিত প্রচেষ্টা করবে)
بِاَمۡوَالِہِمۡ (বিআমওয়ালিহিম → তাদের সম্পদ দ্বারা)
وَاَنۡفُسِہِمۡ (ওয়া আনফুসিহিম → এবং নিজেদের দ্বারা)
وَاللّٰہُ (ওয়াল্লাহু → আর আল্লাহ)
عَلِیۡمٌ (আলীম → সর্বজ্ঞ)
بِالۡمُتَّقِیۡنَ (বিল-মুত্তাকীন → খোদাভীরুদের সম্পর্কে)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস করে, তারা তাদের সম্পদ ও নিজেদের (নফসের) দ্বারা সাধনা ও একাগ্রতার সহিত প্রচেষ্টা (জিহাদ) করার বিষয়ে তোমার কাছে অনুমতি চায় না। আর আল্লাহ খোদাভীরুদের সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন।
আয়াত-৪৫ঃ
اِنَّمَا (ইন্নামা → কেবলমাত্র)
یَسۡتَاۡذِنُکَ (ইয়াস্তাযিনুকা → তোমার কাছে অনুমতি চায়)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
لَا (লা → না)
یُؤۡمِنُوۡنَ (ইউ’মিনূন → বিশ্বাস করে)
بِاللّٰہِ (বিল্লাহ → আল্লাহর প্রতি)
وَالۡیَوۡمِ (ওয়াল-ইয়াওম → এবং দিনের)
الۡاٰخِرِ (আল-আখির → শেষ)
وَارۡتَابَتۡ (ওয়ারতাবাত → এবং সন্দেহগ্রস্ত হয়েছে)
قُلُوۡبُہُمۡ (কুলূবুহুম → তাদের অন্তরসমূহ)
فَہُمۡ (ফাহুম → ফলে তারা)
فِیۡ (ফী → মধ্যে)
رَیۡبِہِمۡ (রাইবিহিম → তাদের সন্দেহের মধ্যে)
یَتَرَدَّدُوۡنَ (ইয়াতারাদ্দাদূন → তারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ঘোরাফেরা করে)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
কেবলমাত্র তারাই তোমার কাছে অনুমতি চায়, যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস করে না এবং যাদের অন্তর সন্দেহগ্রস্ত হয়েছে। ফলে তারা তাদের সন্দেহের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ঘোরাফেরা করে।
আয়াত-৪৬ঃ
وَلَوۡ (ওয়া লাও → আর যদি)
اَرَادُوا (আরাদূ → তারা ইচ্ছা করত)
الۡخُرُوۡجَ (আল-খুরূজ → বের হওয়া)
لَاَعَدُّوۡا (লাআ‘আদ্দূ → তবে অবশ্যই প্রস্তুত করত)
لَہٗ (লাহূ → তার জন্য)
عُدَّۃً (উদ্দাতান → প্রস্তুতি)
وَّلٰکِنۡ (ওয়া লাকিন → কিন্তু)
کَرِہَ (কারিহা → অপছন্দ করেছেন)
اللّٰہُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
انۡۢبِعَاثَہُمۡ (ইনবিআছাহুম → তাদের বের হয়ে যাওয়া)
فَثَبَّطَہُمۡ (ফাছাব্বাতাহুম → ফলে তিনি তাদের স্থবির করে দিয়েছেন)
وَقِیۡلَ (ওয়া কীলা → এবং বলা হয়েছে)
اقۡعُدُوۡا (ইক‘উদূ → তোমরা বসে থাকো)
مَعَ (মা‘আ → সঙ্গে)
الۡقٰعِدِیۡنَ (আল-কাআ‘দীন → যারা বসে থাকে)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর যদি তারা বের হয়ে যাওয়ার ইচ্ছা করত, তবে অবশ্যই তার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করত। কিন্তু আল্লাহ তাদের বের হয়ে যাওয়া অপছন্দ করেছেন; ফলে তিনি তাদের স্থবির করে দিয়েছেন। আর বলা হলো, ‘তোমরা যারা বসে থাকে, তাদের সঙ্গে বসে থাকো।’ (বি:দ্র: আয়াত ৪১ থেকে ৪৬ পর্যন্ত কারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী তার ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে।)
আয়াত-৪৭ঃ
لَوۡ (লাও → যদি)
خَرَجُوۡا (খারাজূ → তারা বের হয়ে যেত)
فِیۡکُمۡ (ফীকুম → তোমাদের সঙ্গে)
مَّا (মা → না)
زَادُوۡکُمۡ (যাদূকুম → তারা তোমাদের বাড়াত)
اِلَّا (ইল্লা → ছাড়া)
خَبَالًا (খাবালান → বিশৃঙ্খলা)
وَّلَا (ওয়া লা → এবং না)
اَوۡضَعُوۡا (আওদা‘উ → তারা দ্রুত অগ্রসর হতো)
خِلٰلَکُمۡ (খিলালাকুম → তোমাদের মধ্য দিয়ে)
یَبۡغُوۡنَکُمُ (ইয়াবগূনাকুম → তারা তোমাদের জন্য অনুসন্ধান করত)
الۡفِتۡنَۃَ (আল-ফিতনাহ → বিভ্রান্তি)
وَفِیۡکُمۡ (ওয়া ফীকুম → আর তোমাদের মধ্যে)
سَمّٰعُوۡنَ (সাম্মা‘ঊন → মনোযোগ দিয়ে শোনে এমন লোক)
لَہُمۡ (লাহুম → তাদের কথা)
وَاللّٰہُ (ওয়াল্লাহু → আর আল্লাহ)
عَلِیۡمٌ (আলীম → সর্বজ্ঞ)
بِالظّٰلِمِیۡنَ (বিয-যালিমীন → অন্যায়কারীদের সম্পর্কে)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যদি তারা তোমাদের সঙ্গে বের হয়ে যেত, তবে তারা তোমাদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছাড়া আর কিছুই বাড়াত না এবং তোমাদের মধ্যে দ্রুত অগ্রসর হয়ে তোমাদের জন্য বিভ্রান্তি ও বিবাদ সৃষ্টি করতে চাইত। আর তোমাদের মধ্যে এমন লোকও আছে যারা তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনে। আর আল্লাহ অন্যায়কারীদের সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।
আয়াত-৪৮ঃ
لَقَدِ (লাকাদি → অবশ্যই)
ابۡتَغَوُا (ইবতাগাও → তারা অনুসন্ধান করেছে)
الۡفِتۡنَۃَ (আল-ফিতনাহ → বিভ্রান্তি)
مِنۡ (মিন → থেকে)
قَبۡلُ (কাবলু → পূর্বে)
وَقَلَّبُوۡا (ওয়া কাল্লাবূ → এবং তারা ওলটপালট করেছে)
لَکَ (লাকা → তোমার জন্য)
الۡاُمُوۡرَ (আল-উমূর → বিষয়সমূহ)
حَتّٰی (হাত্তা → যতক্ষণ না)
جَآءَ (জাআ → এসেছে)
الۡحَقُّ (আল-হাক্ক → সত্য)
وَظَہَرَ (ওয়া জাহারা → এবং প্রকাশিত হয়েছে)
اَمۡرُ (আমর → নির্দেশ)
اللّٰہِ (আল্লাহ → আল্লাহ)
وَہُمۡ (ওয়া হুম → অথচ তারা)
کٰرِہُوۡنَ (কারিহূন → অপছন্দকারী)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
অবশ্যই তারা পূর্বেও বিভ্রান্তি অনুসন্ধান করেছে এবং তোমার বিষয়ে নানা বিষয় ও পরিস্থিতি ওলটপালট করেছে, যতক্ষণ না সত্য এসে উপস্থিত হয়েছে এবং আল্লাহর নির্দেশ প্রকাশিত হয়েছে। অথচ তারা তা অপছন্দকারী ছিল।”
আয়াত-৪৯ঃ
وَمِنۡہُمۡ (ওয়া মিনহুম → এবং তাদের মধ্য থেকে)
مَّنۡ (মান → যে)
یَّقُوۡلُ (ইয়াকূলু → বলে)
ائۡذَنۡ (ইযান → অনুমতি দাও)
لِّیۡ (লী → আমাকে)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
تَفۡتِنِّیۡ (তাফতিন্নী → আমাকে পরীক্ষায় ফেলো)
اَلَا (আলা → জেনে রাখো)
فِی (ফী → মধ্যে)
الۡفِتۡنَۃِ (আল-ফিতনাহ → পরীক্ষা)
سَقَطُوۡا (সাকাতূ → তারা পতিত হয়েছে)
وَاِنَّ (ওয়া ইন্না → এবং নিশ্চয়ই)
جَہَنَّمَ (জাহান্নাম → ভয়ংকর আগুনের শাস্তির স্থান)
لَمُحِیۡطَۃٌ (লামুহীতাহ → অবশ্যই পরিবেষ্টনকারী)
بِالۡکٰفِرِیۡنَ (বিল-কাফিরীন → সত্য অস্বীকারকারীদের)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর তাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ বলে, ‘আমাকে অনুমতি দাও এবং আমাকে পরীক্ষায় ফেলো না।’ সাবধান! তারা তো পরীক্ষার মধ্যেই রয়েছে। আর নিশ্চয়ই ভয়ংকর আগুনের শাস্তির স্থান সত্য অস্বীকারকারীদের পরিবেষ্টন করে আছে।”
আয়াত-৫০ঃ
اِنۡ (ইন → যদি)
تُصِبۡکَ (তুসিবকা → তোমাকে স্পর্শ করে)
حَسَنَۃٌ (হাসানাতুন → সুন্দর বিষয়)
تَسُؤۡہُمۡ (তাসূ’হুম → তা তাদের দুঃখিত করে)
وَاِنۡ (ওয়া ইন → আর যদি)
تُصِبۡکَ (তুসিবকা → তোমাকে স্পর্শ করে)
مُصِیۡبَۃٌ (মুসীবাতুন → বিপদ)
یَّقُوۡلُوۡا (ইয়াকূলূ → তারা বলে)
قَدۡ (কাদ → ইতোমধ্যে)
اَخَذۡنَاۤ (আখাযনা → আমরা গ্রহণ করেছি)
اَمۡرَنَا (আমরানা → আমাদের বিষয়)
مِنۡ (মিন → থেকে)
قَبۡلُ (কাবলু → পূর্বে)
وَیَتَوَلَّوۡا (ওয়া ইয়াতাওয়াল্লাও → এবং তারা ফিরে যায়)
وَّہُمۡ (ওয়া হুম → অথচ তারা)
فَرِحُوۡنَ (ফারিহূন → আনন্দিত)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যদি তোমাকে কোনো সুন্দর বিষয়/কল্যাণ স্পর্শ করে, তা তাদের দুঃখিত করে; আর যদি তোমাকে কোনো বিপদ স্পর্শ করে, তারা বলে, ‘আমরা তো আগেই আমাদের ব্যবস্থা গ্রহণ করে নিয়েছিলাম।’ আর তারা আনন্দিত অবস্থায় ফিরে যায়।
