সূরা আল আ’রাফ (الأعراف) | উচু স্থানসমূহ
মাক্কী সুরা          মোট আয়াতঃ ২০৬

رَّبِّ اَعُوۡذُ بِکَ مِنۡ هَمَزٰتِ الشَّیٰطِیۡنِ

২৩:৯৭ – হে আমার প্রতিপালক! আমি শয়তানদের প্ররোচনা হতে আপনার আশ্রয় চাই।
وَاَعُوۡذُ بِکَ رَبِّ اَنۡ یَّحۡضُرُوۡنِ

২৩:৯৮ – হে আমার প্রতিপালক! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই যাতে তারা আমার কাছেও আসতে না পারে।
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু।



আয়াত-১৫১ঃ

قَالَ (কা-লা → তিনি বললেন)
رَبِّ (রব্বি → হে আমার প্রতিপালক)
اغۡفِرۡ (ইগফির → ক্ষমা করুন)
لِیۡ (লী → আমাকে)
وَلِاَخِیۡ (ওয়া লিআখী → এবং আমার ভাইকে)
وَاَدۡخِلۡنَا (ওয়া আদখিলনা → এবং আমাদের প্রবেশ করান)
فِیۡ (ফী → মধ্যে)
رَحۡمَتِکَ (রাহমাতিক → আপনার দয়া)
وَاَنۡتَ (ওয়া আনতা → আর আপনি)
اَرۡحَمُ (আরহামু → সর্বাধিক দয়ালু)
الرّٰحِمِیۡنَ (আর-রাহিমীন → দয়াশীলদের মধ্যে)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর তিনি বললেন, “হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ও আমার ভাইকে ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে আপনার দয়ার মধ্যে প্রবেশ করান। আর আপনিই তো দয়াশীলদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম দয়ালু।”


আয়াত-১৫২ঃ

اِنَّ (ইন্না → নিশ্চয়ই)
الَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
اتَّخَذُوا (ইত্তাখাযূ → গ্রহণ করেছে)
الۡعِجۡلَ (আল-‘ইজলা → বাছুর)
سَیَنَالُہُمۡ (সাইয়ানা-লুহুম → অচিরেই তাদেরকে পৌঁছবে)
غَضَبٌ (গাদাবুন → ক্রোধ)
مِّنۡ (মিন → পক্ষ থেকে)
رَّبِّہِمۡ (রব্বিহিম → তাদের প্রতিপালকের)
وَذِلَّۃٌ (ওয়া যিল্লাতুন → এবং অপমান / লাঞ্ছনা)
فِی (ফী → মধ্যে)
الۡحَیٰوۃِ (আল-হায়া-তি → জীবনে)
الدُّنۡیَا (আদ-দুনইয়া → পার্থিব)
وَکَذٰلِکَ (ওয়া কাযা-লিকা → এবং এভাবেই)
نَجۡزِی (নাজযী → আমরা প্রতিফল দিই)
الۡمُفۡتَرِیۡنَ (আল-মুফতারীন → মনগড়া কথা রচনাকারীদের)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

নিশ্চয়ই যারা বাছুরকে উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করেছে, অচিরেই তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তাদের ওপর ক্রোধ এবং পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনা আসবে। আর এভাবেই আমরা মিথ্যা উদ্ভাবনকারীদের প্রতিফল দিয়ে থাকি।


আয়াত-১৫৩ঃ

وَالَّذِیۡنَ (ওয়াল্লাযীনা → আর যারা)
عَمِلُوا (আমিলূ → কর্ম করেছে)
السَّیِّاٰتِ (আস-সাইয়িআ-তি → মন্দ কাজসমূহ)
ثُمَّ (ছুম্মা → তারপর)
تَابُوا (তা-বূ → ফিরে এসেছে)
مِنۡ (মিন → থেকে)
بَعۡدِہَا (বা‘দিহা → তার পরে)
وَاٰمَنُوۡۤا (ওয়া আ-মানূ → এবং বিশ্বাস করেছে)
اِنَّ (ইন্না → নিশ্চয়ই)
رَبَّکَ (রাব্বাকা → আপনার প্রতিপালক)
مِنۡ (মিন → পর)
بَعۡدِہَا (বা‘দিহা → তার পরে)
لَغَفُوۡرٌ (লাগাফূর → অবশ্যই অতিশয় ক্ষমাশীল)
رَّحِیۡمٌ (রাহীম → পরম দয়ালু)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর যারা মন্দ কাজ করে ফেলেছে, তারপর সেগুলোর জন্য অনুতপ্ত হয়ে ফিরে এসেছে এবং বিশ্বাস করেছে—নিশ্চয়ই আপনার প্রতিপালক এসবের পরে অবশ্যই অতিশয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।


আয়াত-১৫৪ঃ

وَلَمَّا (ওয়া লাম্মা → আর যখন)
سَكَتَ (সাকাতা → থেমে গেল)
عَنۡ (আন → থেকে)
مُّوسَى (মূসা → মূসার)
الۡغَضَبُ (আল-গাদাবু → ক্রোধ)
أَخَذَ (আখাযা → তিনি গ্রহণ করলেন)
الۡأَلۡوَاحَ (আল-আলওয়াহা → ফলকসমূহ)
وَفِي (ওয়া ফী → এবং এতে)
نُسۡخَتِهَا (নুসখাতিহা → তার লিখিত বিষয়বস্তুতে)
هُدٗى (হুদান → সঠিক পথনির্দেশ)
وَرَحۡمَةٞ (ওয়া রাহমাতুন → এবং দয়া / করুণা)
لِّلَّذِينَ (লিল্লাযীনা → তাদের জন্য যারা)
هُمۡ (হুম → তারা)
لِرَبِّهِمۡ (লিরাব্বিহিম → তাদের প্রতিপালকের প্রতি)
يَرۡهَبُونَ (ইয়ারহাবূন → গভীর ভীতি পোষণ করে)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর যখন মূসার ক্রোধ থেমে গেল, তখন তিনি ফলকসমূহ তুলে নিলেন। আর সেগুলোর লিখিত বিষয়বস্তুর মধ্যে ছিল সঠিক পথনির্দেশ (হুদা) ও করুণা (রহমত), তাদের জন্য যারা তাদের প্রতিপালকের প্রতি গভীর ভীতি পোষণ করে।


আয়াত-১৫৫ঃ

وَاخۡتَارَ (ওয়াখতা-রা → এবং মনোনীত করলেন)
مُوسَىٰ (মূসা → মূসা)
قَوۡمَهُۥ (কাওমাহূ → তাঁর সম্প্রদায় থেকে)
سَبۡعِينَ (সাব‘ঈন → সত্তর)
رَجُلٗا (রাজুলান → পুরুষকে)
لِّمِيقَٰتِنَا (লিমীকা-তিনা → আমাদের নির্ধারিত সময়ের জন্য)
فَلَمَّآ (ফালাম্মা → অতঃপর যখন)
أَخَذَتۡهُمُ (আখাযাতহুম → তাদেরকে পাকড়াও করল)
ٱلرَّجۡفَةُ (আর-রাজফাতু → প্রবল কম্পন)
قَالَ (কা-লা → তিনি বললেন)
رَبِّ (রব্বি → হে আমার প্রতিপালক)
لَوۡ (লাও → যদি)
شِئۡتَ (শি’তা → আপনি চাইতেন)
أَهۡلَكۡتَهُم (আহলাকতাহুম → আপনি তাদের ধ্বংস করতেন)
مِّن قَبۡلُ (মিন কাবলু → এর আগেই)
وَإِيَّٰيَ (ওয়া ইয়াইয়া → এবং আমাকেও)
أَتُهۡلِكُنَا (আতুহলিকুনা → আপনি কি আমাদের ধ্বংস করবেন)
بِمَا (বিমা → কারণে)
فَعَلَ (ফা‘আলা → করেছে)
ٱلسُّفَهَآءُ (আস-সুফাহা → নির্বোধরা)
مِنَّا (মিন্না → আমাদের মধ্য থেকে)
إِنۡ (ইন → নয়)
هِيَ (হিয়া → এটি)
إِلَّا (ইল্লা → ছাড়া)
فِتۡنَتُكَ (ফিতনাতুকা → আপনার পরীক্ষা)
تُضِلُّ (তুদিল্লু → আপনি বিপথে যেতে দেন)
بِهَا (বিহা → এর মাধ্যমে)
مَن (মান → যাকে)
تَشَآءُ (তাশা → আপনি চান)
وَتَهۡدِي (ওয়া তাহদী → এবং আপনি সঠিক পথ দেখান)
مَن (মান → যাকে)
تَشَآءُ (তাশা → আপনি চান)
أَنتَ (আনতা → আপনিই)
وَلِيُّنَا (ওয়ালিয়্যুনা → আমাদের অভিভাবক)
فَٱغۡفِرۡ (ফাগফির → অতএব ক্ষমা করুন)
لَنَا (লানা → আমাদের)
وَٱرۡحَمۡنَا (ওয়ারহামনা → এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন)
وَأَنتَ (ওয়া আনতা → আর আপনিই)
خَيۡرُ (খাইরু → শ্রেষ্ঠ)
ٱلۡغَٰفِرِينَ (আল-গা-ফিরীন → ক্ষমাকারীদের)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর মূসা তাঁর সম্প্রদায় থেকে আমাদের নির্ধারিত সময়ের জন্য সত্তরজন পুরুষকে মনোনীত করলেন। অতঃপর যখন প্রবল কম্পন তাদেরকে পাকড়াও করল, তিনি বললেন, “হে আমার প্রতিপালক! আপনি চাইলে এর আগেই তাদের এবং আমাকেও ধ্বংস করতে পারতেন। আমাদের মধ্যকার নির্বোধদের কাজের কারণে কি আপনি আমাদের ধ্বংস করবেন? এটি তো কেবল আপনার পরীক্ষা। এর মাধ্যমে আপনি যাকে ইচ্ছা তাকে বিপথে যেতে দেন এবং যাকে ইচ্ছা তাকে সঠিক পথ দেখান। আপনিই আমাদের অভিভাবক। অতএব আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন এবং আপনিই ক্ষমাকারীদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ।”


আয়াত-১৫৬ঃ

وَاكۡتُبۡ (ওয়াকতুব → এবং লিখে দিন)
لَنَا (লানা → আমাদের জন্য)
فِي (ফী → মধ্যে)
هَٰذِهِ (হা-যিহি → এই)
الدُّنۡيَا (আদ-দুনইয়া → দুনিয়ার জীবনের)
حَسَنَةٗ (হাসানাতান → কল্যাণকর বিষয়)
وَفِي (ওয়া ফী → এবং মধ্যে)
الۡاٰخِرَةِ (আল-আখিরাতি → পরবর্তী জীবনের)
إِنَّا (ইন্না → নিশ্চয়ই)
هُدۡنَا (হুদনা → আমরা ফিরে এসেছি)
إِلَيۡكَ (ইলাইকা → আপনার দিকে)

قَالَ (কা-লা → তিনি বললেন)
عَذَابِيۤ (আযা-বী → আমার শাস্তি)
أُصِيبُ (উসীবু → আমি পৌঁছে দিই)
بِهِۦ (বিহী → তা দ্বারা)
مَنۡ (মান → যাকে)
أَشَآءُ (আশা-উ → আমি চাই)

وَرَحۡمَتِي (ওয়া রাহমাতী → আর আমার দয়া)
وَسِعَتۡ (ওয়াসি‘আত → পরিব্যাপ্ত হয়েছে)
كُلَّ (কুল্লা → প্রত্যেক)
شَيۡءٖ (শাই’ → বিষয় / বস্তু)

فَسَأَكۡتُبُهَا (ফাসা-আকতুবুহা → অতএব আমি তা লিখে দেব)
لِلَّذِينَ (লিল্লাযীনা → তাদের জন্য যারা)
يَتَّقُونَ (ইয়াত্তাকূন → খোদাভীরু থাকে)
وَيُؤۡتُونَ (ওয়া ইউ’তূন → এবং তারা প্রদান করে)
الزَّكَوٰةَ (আয-যাকাতা → পরিশুদ্ধির দান)
وَالَّذِينَ (ওয়াল্লাযীনা → এবং যারা)
هُمۡ (হুম → তারা)
بِاٰيَٰتِنَا (বিআ-য়া-তিনা → আমাদের নিদর্শনসমূহে)
يُؤۡمِنُونَ (ইউ’মিনূন → বিশ্বাস করে)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর আমাদের জন্য এই দুনিয়ায় কল্যাণ লিখে দিন এবং পরকালেও। নিশ্চয়ই আমরা আপনার দিকেই ফিরে এসেছি। তিনি বললেন, “আমার শাস্তি—আমি যাকে চাই তা দ্বারা তাকে আক্রান্ত করি; আর আমার দয়া সবকিছুকে পরিব্যাপ্ত করে আছে। অতএব, আমি তা তাদের জন্য নির্ধারণ করব, যারা আল্লাহভীরু (মুত্তাকী) থাকে, পরিশুদ্ধির দান প্রদান করে (যাকাত দেয়) এবং যারা আমার আয়াতসমূহে (নিদর্শনসমূহে) বিশ্বাস করে।”


আয়াত-১৫৭ঃ

اَلَّذِیۡنَ (আল্লাযীনা → যারা)
یَتَّبِعُوۡنَ (ইয়াত্তাবি‘ঊন → অনুসরণ করে)
الرَّسُوۡلَ (আর-রাসূল → সেই প্রেরিত বার্তাবাহককে)
النَّبِیَّ (আন-নাবিয়্য → নবীকে)
الۡاُمِّیَّ (আল-উম্মিয়্য → পূর্বলিখিত শিক্ষা থেকে অশিক্ষিত)
الَّذِیۡ (আল্লাযী → যিনি)
یَجِدُوۡنَہٗ (ইয়াজিদূনাহূ → তারা তাঁকে পায়)
مَکۡتُوۡبًا (মাকতূবান → লিখিত অবস্থায়)
عِنۡدَہُمۡ (ইনদাহুম → তাদের কাছে)
فِی (ফী → মধ্যে)
التَّوۡرٰىۃِ (আত-তাওরাত → তাওরাত গ্রন্থে)
وَالۡاِنۡجِیۡلِ (ওয়াল-ইনজীল → এবং ইনজীল গ্রন্থে)
یَاۡمُرُہُمۡ (ইয়া’মুরুহুম → তিনি তাদের নির্দেশ দেন)
بِالۡمَعۡرُوۡفِ (বিল-মা‘রূফ → স্বীকৃত সৎকর্মের)
وَیَنۡہٰہُمۡ (ওয়া ইয়ানহাহুম → এবং তিনি তাদের নিষেধ করেন)
عَنِ (আন → থেকে)
الۡمُنۡکَرِ (আল-মুনকার → অস্বীকৃত মন্দকর্ম)
وَیُحِلُّ (ওয়া ইউহিল্লু → এবং তিনি মুক্ত করে/ বৈধ করেন)
لَہُمُ (লাহুম → তাদের জন্য)
الطَّیِّبٰتِ (আত-তাইয়্যিবাত → পবিত্র ও উত্তম বিষয়সমূহ)
وَیُحَرِّمُ (ওয়া ইউহাররিমু → এবং তিনি নিষিদ্ধ করেন)
عَلَیۡہِمُ (আলাইহিম → তাদের ওপর)
الۡخَبٰٓئِثَ (আল-খাবা-ইছ → অপবিত্র ও নিকৃষ্ট বিষয়সমূহ)
وَیَضَعُ (ওয়া ইয়াদা‘উ → এবং তিনি সরিয়ে দেন)
عَنۡہُمۡ (আনহুম → তাদের থেকে)
اِصۡرَہُمۡ (ইসরাহুম → তাদের ভারী বোঝা)
وَالۡاَغۡلٰلَ (ওয়াল-আগলা-ল → এবং শৃঙ্খলসমূহ)
الَّتِیۡ (আল্লাতী → যা)
کَانَتۡ (কা-নাত → ছিল)
عَلَیۡہِمۡ (আলাইহিম → তাদের ওপর)
فَالَّذِیۡنَ (ফাল্লাযীনা → অতএব যারা)
اٰمَنُوۡا (আ-মানূ → বিশ্বাস করেছে)
بِہٖ (বিহী → তাঁর প্রতি)
وَعَزَّرُوۡہُ (ওয়া ‘আযযারূহু → তাঁকে সম্মান ও শক্তি দিয়েছে)
وَنَصَرُوۡہُ (ওয়া নাসারূহু → তাঁকে সাহায্য করেছে)
وَاتَّبَعُوا (ওয়াত্তাবা‘ঊ → এবং তারা অনুসরণ করেছে)
النُّوۡرَ (আন-নূর → আলোকে)
الَّذِیۡ (আল্লাযী → যা)
اُنۡزِلَ (উনযিলা → অবতীর্ণ করা হয়েছে)
مَعَہٗ (মা‘আহূ → তাঁর সঙ্গে)
اُولٰٓئِکَ (উলা-ইকা → তারাই)
ہُمُ (হুমু → তারা)
الۡمُفۡلِحُوۡنَ (আল-মুফলিহূন → সফলকাম)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

যারা সেই রাসূলের (মূসা নবীর) অনুসরণ করে, যিনি পূর্বলিখিত শিক্ষা থেকে অজ্ঞ (উম্মী নবী); যাঁকে তারা তাদের কাছে তাওরাত ও ইনজীলে লিখিত অবস্থায় পায়। তিনি তাদের সৎকর্মের নির্দেশ দেন, মন্দকর্ম থেকে নিষেধ করেন, তাদের জন্য পবিত্র ও উত্তম বিষয়গুলো বৈধ করেন এবং অপবিত্র ও নিকৃষ্ট বিষয়গুলো নিষিদ্ধ করেন। আর তাদের উপর থাকা ভারী বোঝা ও শৃঙ্খলসমূহ সরিয়ে দেন। অতএব, যারা তাঁর প্রতি বিশ্বাস করেছে, তাঁকে সম্মান দিয়েছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং তাঁর সঙ্গে অবতীর্ণ আলোকে যারা অনুসরণ করেছে—তারাই সফলকাম।


আয়াত-১৫৮ঃ

قُلۡ (কুল → বলুন)
یٰۤاَیُّہَا (ইয়া আইয়্যুহা → হে)
النَّاسُ (আন-নাস → মানুষ)
اِنِّیۡ (ইন্নী → নিশ্চয়ই আমি)
رَسُوۡلُ (রাসূল → প্রেরিত বার্তাবাহক)
اللّٰہِ (আল্লাহ → আল্লাহর)
اِلَیۡکُمۡ (ইলাইকুম → তোমাদের কাছে)
جَمِیۡعًا (জামী‘আন → সকলের প্রতি)
الَّذِیۡ (আল্লাযী → যাঁর)
لَہٗ (লাহূ → তাঁরই)
مُلۡکُ (মুলক → কর্তৃত্ব / রাজত্ব)
السَّمٰوٰتِ (আস-সামা-ওয়াত → আকাশমণ্ডলসমূহের)
وَالۡاَرۡضِ (ওয়াল-আরদ → এবং পৃথিবীর)
لَاۤ (লা → নেই)
اِلٰہَ (ইলা-হ → বিধানদাতা)
اِلَّا (ইল্লা → ছাড়া)
ہُوَ (হুওয়া → তিনি)
یُحۡیٖ (ইউহয়ী → জীবন দান করেন)
وَیُمِیۡتُ (ওয়া ইউমীত → এবং মৃত্যু ঘটান)
فَاٰمِنُوۡا (ফা-আ- মিনূ → অতএব বিশ্বাস করো)
بِاللّٰہِ (বিল্লা-হ → আল্লাহর প্রতি)
وَرَسُوۡلِہِ (ওয়া রাসূলিহী → এবং তাঁর প্রেরিত বার্তাবাহকের প্রতি)
النَّبِیِّ (আন-নাবিয়্য → নবীর)
الۡاُمِّیِّ (আল-উম্মিয়্য → পূর্বলিখিত শিক্ষা থেকে অজ্ঞ)
الَّذِیۡ (আল্লাযী → যিনি)
یُؤۡمِنُ (ইউ’মিন → বিশ্বাস করেন)
بِاللّٰہِ (বিল্লা-হ → আল্লাহর প্রতি)
وَکَلِمٰتِہٖ (ওয়া কালিমা-তিহী → এবং তাঁর বাণীসমূহের প্রতি)
وَاتَّبِعُوۡہُ (ওয়াত্তাবি‘ঊহু → এবং তাঁর অনুসরণ করো)
لَعَلَّکُمۡ (লা‘আল্লাকুম → যাতে তোমরা)
تَہۡتَدُوۡنَ (তাহতাদূন → সঠিক পথ লাভ করো)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

বলুন, “হে মানুষ! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সকলের প্রতি আল্লাহর প্রেরিত রাসূল (বার্তাবাহক)। আকাশমণ্ডলসমূহ ও পৃথিবীর কর্তৃত্ব তাঁরই। তিনি ছাড়া কোনো বিধানদাতা নেই। তিনি জীবন দান করেন এবং মৃত্যু ঘটান। অতএব, তোমরা আল্লাহর প্রতি এবং তাঁর প্রেরিত রাসূলগণের প্রতি, সেই পূর্বলিখিত শিক্ষা থেকে অজ্ঞ নবীর (উম্মী নবীর) প্রতি বিশ্বাস করো, যিনি আল্লাহ ও তাঁর কালিমাসমূহে (বাণীসমূহে) বিশ্বাস করেন। আর তোমরা তাঁর অনুসরণ করো, যাতে তোমরা সঠিক পথ লাভ করো।”


আয়াত-১৫৯ঃ

وَمِنۡ (ওয়া মিন → এবং মধ্য থেকে)
قَوۡمِ (কাওমি → সম্প্রদায়ের)
مُوۡسَىٰ (মূসা → মূসার)
أُمَّةٞ (উম্মাতুন → একটি সম্প্রদায়)
يَهۡدُونَ (ইয়াহদূন → পথনির্দেশ দেয়)
بِالۡحَقِّ (বিল-হাক্ক → সত্যের মাধ্যমে)
وَبِهِۦ (ওয়া বিহী → এবং তা দ্বারা)
يَعۡدِلُونَ (ইয়া‘দিলূন → ন্যায়বিচার করে)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর মূসার সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে এমন একটি দল রয়েছে, যারা সত্যের মাধ্যমে পথনির্দেশ দেয় এবং তার ভিত্তিতে ন্যায়বিচার করে।


আয়াত-১৬০ঃ

وَقَطَّعۡنَٰهُمۡ (ওয়া কাত্তা‘নাহুম → এবং আমরা তাদের বিভক্ত করলাম)
ٱثۡنَتَيۡ (ইছনাতাই → দুই)
عَشۡرَةَ (আশারাত → দশ)
أَسۡبَاطًا (আসবা-তান → গোত্রসমূহে)
أُمَمًا (উমামান → বিভিন্ন সম্প্রদায়ে)
وَأَوۡحَيۡنَآ (ওয়া আওহাইনা → এবং আমরা প্রত্যাদেশ করলাম)
إِلَىٰ (ইলা → প্রতি)
مُوسَىٰ (মূসা → মূসার কাছে)
إِذِ (ইযি → যখন)
ٱسۡتَسۡقَىٰهُ (ইস্তাসকা-হু → তার কাছে পানি চাইল)
قَوۡمُهُۥ (কাওমুহূ → তাঁর সম্প্রদায়)
أَنِ (আনি → যেন)
ٱضۡرِب (ইদরিব → আঘাত করো)
بِّعَصَاكَ (বি‘আসা-কা → তোমার লাঠি দিয়ে)
ٱلۡحَجَرَ (আল-হাজার → পাথরকে)
فَٱنۢبَجَسَتۡ (ফানবাজাসাত → অতঃপর প্রবাহিত হলো)
مِنۡهُ (মিনহু → তা থেকে)
ٱثۡنَتَا (ইছনাতা → বারো)
عَشۡرَةَ (আশারাত → দশ)
عَيۡنًا (আইনান → ঝরনা)
قَدۡ (কাদ → নিশ্চয়ই)
عَلِمَ (আলিমা → জানল)
كُلُّ (কুল্লু → প্রত্যেক)
أُنَاسٍ (উনা-স → মানুষের দল )
مَّشۡرَبَهُمۡ (মাশরাবাহুম → তাদের পানির স্থান)
وَظَلَّلۡنَا (ওয়া জাল্লালনা → এবং আমরা ছায়া দিলাম)
عَلَيۡهِمُ (আলাইহিম → তাদের ওপর)
ٱلۡغَمَامَ (আল-গামা-ম → মেঘকে)
وَأَنزَلۡنَا (ওয়া আনঝালনা → এবং আমরা অবতীর্ণ করলাম)
عَلَيۡهِمُ (আলাইহিম → তাদের ওপর)
ٱلۡمَنَّ (আল-মান্ন → অনুগ্রহস্বরূপ খাদ্য)
وَٱلسَّلۡوَىٰ (ওয়াস-সালওয়া → প্রশান্তিদায়ক)
كُلُواْ (কুলূ → তোমরা খাও)
مِن (মিন → থেকে)
طَيِّبَٰتِ (তাইয়্যিবা-ত → পবিত্র ও উত্তম বিষয়সমূহ)
مَا (মা → যা)
رَزَقۡنَٰكُمۡ (রাঝাকনাকুম → আমরা তোমাদের রিজিক হিসেবে দিয়েছি)
وَمَا (ওয়া মা → আর না)
ظَلَمُونَا (জালামূনা → তারা আমাদের প্রতি জুলুম করেছে)
وَلَٰكِن (ওয়ালা-কিন → বরং)
كَانُوٓاْ (কা-নূ → তারা ছিল)
أَنفُسَهُمۡ (আনফুসাহুম → নিজেদের)
يَظۡلِمُونَ (ইয়াজলিমূন → অন্যায় করত)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর আমরা তাদের বারোটি গোত্রে, বিভিন্ন সম্প্রদায়ে বিভক্ত করেছিলাম। আর যখন তার সম্প্রদায় মূসার কাছে পানি চাইল, তখন আমরা তাঁর প্রতি প্রত্যাদেশ করলাম, “তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত করো।” অতঃপর তা থেকে বারোটি ঝরণা প্রবাহিত হলো। প্রত্যেক দল তাদের পানির স্থান চিনে নিল। আর আমরা তাদের ওপর মেঘের ছায়া দিয়েছিলাম এবং তাদের ওপর বিপুল অনুগ্রহ (মান্না) ও প্রশান্তিদায়ক খাদ্য (সালওয়া) অবতীর্ণ করেছিলাম। “তোমাদের যে পবিত্র ও উত্তম রিজিক আমরা দিয়েছি, তা থেকে তোমরা খাও।” তারা আমাদের প্রতি কোনো জুলুম করেনি; বরং তারা নিজেদেরই প্রতি জুলুম করত।


আয়াত-১৬১ঃ

وَإِذۡ (ওয়া ইয → এবং যখন)
قِيلَ (কীলা → বলা হয়েছিল)
لَهُمُ (লাহুম → তাদেরকে)
ٱسۡكُنُواْ (উসকুনূ → তোমরা বসবাস করো)
هَٰذِهِ (হা-যিহি → এই)
ٱلۡقَرۡيَةَ (আল-কারইয়াত → জনপদে)
وَكُلُواْ (ওয়া কুলূ → এবং তোমরা খাও)
مِنۡهَا (মিনহা → তা থেকে)
حَيۡثُ (হাইছু → যেখান থেকে)
شِئۡتُمۡ (শি’তুম → তোমরা ইচ্ছা করো)
وَقُولُواْ (ওয়া কূলূ → এবং বলো)
حِطَّةٞ (হিত্তাতুন → বোঝা অপসারণ)
وَٱدۡخُلُواْ (ওয়াদখুলূ → এবং প্রবেশ করো)
ٱلۡبَابَ (আল-বা-ব → দরজায়)
سُجَّدٗا (সুজ্জাদান → মান্যতার সহিত)
نَّغۡفِرۡ (নাগফির → আমরা ক্ষমা করব)
لَكُمۡ (লাকুম → তোমাদের)
خَطِيٓـَٰٔتِكُمۡ (খাতি-আ-তিকুম → তোমাদের ভুলত্রুটি)
سَنَزِيدُ (সানাঝীদ → আমরা বৃদ্ধি করব)
ٱلۡمُحۡسِنِينَ (আল-মুহসিনীন → সৎকর্মশীলদের)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর যখন তাদের বলা হয়েছিল, “তোমরা এই জনপদে বসবাস করো এবং তোমরা খাও যেখান থেকে ইচ্ছা। আর বলো, আমাদের বোঝা অপসারণ করে দাও এবং দরজা দিয়ে মান্যতার সহিত প্রবেশ করো। আমরা তোমাদের ভুলত্রুটি ক্ষমা করব। আর আমরা সৎকর্মশীলদের আরও বৃদ্ধি করে দেব।”


আয়াত-১৬২ঃ

فَبَدَّلَ (ফাবাদ্দালা → অতঃপর পরিবর্তন করল)
الَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
ظَلَمُوا (জালামূ → অন্যায় করেছিল)
مِنْهُمْ (মিনহুম → তাদের মধ্য থেকে)
قَوْلًا (কাওলান → কথা / বক্তব্য)
غَيْرَ (গাইরা → পরিবর্তে)
الَّذِي (আল্লাযী → যা)
قِيلَ (কীলা → বলা হয়েছিল)
لَهُمْ (লাহুম → তাদেরকে)
فَأَرْسَلْنَا (ফা-আরসালনা → অতঃপর আমরা পাঠালাম)
عَلَيْهِمْ (আলাইহিম → তাদের ওপর)
رِجْزًا (রিজঝান → অপবিত্রতার আযাব)
مِنَ (মিনা → থেকে)
السَّمَاءِ (আস-সামা → আকাশ)
بِمَا (বিমা → কারণে
كَانُوا (কা-নূ → তারা ছিল)
يَظْلِمُونَ (ইয়াজলিমূন → অন্যায় করত)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

অতঃপর তাদের মধ্যকার যারা অন্যায় করেছিল, তাদেরকে যে কথা বলা হয়েছিল, তার পরিবর্তে তারা অন্য কথা গ্রহণ করল। ফলে তাদের অন্যায়ের কারণে আমরা তাদের উপর আকাশ থেকে শাস্তি পাঠালাম।


আয়াত-১৬৩ঃ

وَسۡـَٔلۡهُمۡ (ওয়াসআলহুম → আর তাদের জিজ্ঞাসা করুন)
عَنِ (আনি → সম্পর্কে)
الۡقَرۡیَۃِ (আল-কারইয়াহ → জনপদটির)
الَّتِیۡ (আল্লাতী → যা)
کَانَتۡ (কা-নাত → ছিল)
حَاضِرَۃَ (হা-দিরাত → সংলগ্ন)
الۡبَحۡرِ (আল-বাহর → সমুদ্রের)
اِذۡ (ইয → যখন)
یَعۡدُوۡنَ (ইয়া‘দূন → সীমালঙ্ঘন করত)
فِی (ফী → মধ্যে)
السَّبۡتِ (আস-সাবত → শনিবারের বিধানে)
اِذۡ (ইয → যখন)
تَاۡتِیۡہِمۡ (তা’তীহিম → তাদের কাছে আসত)
حِیۡتَانُہُمۡ (হীতানুহুম → তাদের মাছগুলো)
یَوۡمَ (ইয়াওমা → দিনে)
سَبۡتِہِمۡ (সাবতিহিম → তাদের শনিবারে)
شُرَّعًا (শুররা‘আন → প্রকাশ্যভাবে)
وَّیَوۡمَ (ওয়া ইয়াওমা → আর যেদিন)
لَا (লা → না)
یَسۡبِتُوۡنَ (ইয়াসবিতূন → তারা শনিবার পালন করত)
لَا (লা → না)
تَاۡتِیۡہِمۡ (তা’তীহিম → তাদের কাছে আসত)
کَذٰلِکَ (কাযা-লিকা → এভাবেই)
نَبۡلُوۡہُمۡ (নাবলূহুম → আমরা তাদের পরীক্ষা করতাম)
بِمَا (বিমা → কারণে)
کَانُوۡا (কা-নূ → তারা ছিল)
یَفۡسُقُوۡنَ (ইয়াফসুকূন → সীমালঙ্ঘন করত)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর তাদের সেই জনপদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন, যা সমুদ্রের নিকটবর্তী ছিল। যখন তারা শনিবারের বিধান লঙ্ঘন করত, তখন শনিবারে মাছগুলো প্রকাশ্যভাবে তাদের কাছে আসত; আর যেদিন তারা শনিবার পালন করত না, সেদিন মাছগুলো তাদের কাছে আসত না। এভাবেই তারা যে অবাধ্যতা করত, তার কারণে আমরা তাদের পরীক্ষা করতাম।


আয়াত-১৬৪ঃ

وَإِذۡ (ওয়া ইয → এবং যখন)
قَالَتۡ (কা-লাত → বলেছিল)
أُمَّةٞ (উম্মাতুন → একটি দল)
مِّنۡهُمۡ (মিনহুম → তাদের মধ্য থেকে)
لِمَ (লিমা → কেন)
تَعِظُونَ (তা‘ইযূন → তোমরা উপদেশ দাও)
قَوۡمًا (কাওমান → একটি সম্প্রদায়কে)
ٱللَّهُ (আল্লাহু → আল্লাহ)
مُهۡلِكُهُمۡ (মুহলিকুহুম → তাদের ধ্বংসকারী)
أَوۡ (আও → অথবা)
مُعَذِّبُهُمۡ (মু‘আযযিবুহুম → তাদের শাস্তিদাতা)
عَذَابًا (আযা-বান → শাস্তি)
شَدِيدًا (শাদীদান → কঠোর)
قَالُواْ (কা-লূ → তারা বলল)
مَعۡذِرَةً (মা‘যিরাতান → দায়মুক্তির কারণ)
إِلَىٰ (ইলা → কাছে)
رَبِّكُمۡ (রাব্বিকুম → তোমাদের প্রতিপালকের)
وَلَعَلَّهُمۡ (ওয়া লা‘আল্লাহুম → এবং সম্ভবত তারা)
يَتَّقُونَ (ইয়াত্তাকূন → খোদাভীরু হবে)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর যখন তাদের মধ্য থেকে একটি দল বলল, “তোমরা কেন এমন এক সম্প্রদায়কে উপদেশ দিচ্ছ, যাদের আল্লাহ ধ্বংস করবেন অথবা কঠোর শাস্তি দেবেন?” তারা বলল, “তোমাদের প্রতিপালকের নিকট দায়মুক্তি হওয়ার জন্য এবং সম্ভবত তারা আল্লাহভীরু হবে।”


আয়াত-১৬৫ঃ

فَلَمَّا (ফালাম্মা → অতঃপর যখন)
نَسُوا (নাছূ → তারা ভুলে গেল)
مَا (মা → যা)
ذُكِّرُوا (যুক্কিরূ → তাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল)
بِهِۦ (বিহী → তা দ্বারা)
أَنجَيۡنَا (আনজাইনা → আমরা উদ্ধার করলাম)
ٱلَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
يَنۡهَوۡنَ (ইয়ানহাওন → নিষেধ করত)
عَنِ (আনি → থেকে)
ٱلسُّوٓءِ (আস-সূ → মন্দ)
وَأَخَذۡنَا (ওয়া আখাযনা → এবং আমরা পাকড়াও করলাম)
ٱلَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
ظَلَمُوا (জালামূ → অন্যায় করেছিল)
بِعَذَابٍۭ (বি‘আযাবিন → শাস্তি দ্বারা)
بَئِيسٍۭ (বাঈস → দুর্দশাময়)
بِمَا (বিমা → কারণে)
كَانُوا (কা-নূ → তারা ছিল)
يَفۡسُقُونَ (ইয়াফসুকূন → সীমালঙ্ঘন করত / অবাধ্য হতো)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

তাদেরকে যে উপদেশ দেওয়া হয়েছিল, তা যখন তারা ভুলে গেল, তখন যারা মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করত, আমরা তাদের উদ্ধার করলাম। আর যারা অন্যায় করেছিল, তাদেরকে তাদের অবাধ্যতার কারণে কঠোর শাস্তি দিয়ে পাকড়াও করলাম।


আয়াত-১৬৬ঃ

فَلَمَّا (ফালাম্মা → অতঃপর যখন)
عَتَوۡا (‘আতাও → তারা ঔদ্ধত্য প্রকাশ করল)
عَنۡ (আন → থেকে)
مَّا (মা → যা)
نُهُوا (নুহূ → তাদের নিষেধ করা হয়েছিল)
عَنۡهُ (‘আনহু → তা থেকে)
قُلۡنَا (কুলনা → আমরা বললাম)
لَهُمۡ (লাহুম → তাদেরকে)
كُونُوا (কূনূ → তোমরা হয়ে যাও)
قِرَدَةً (কিরাদাতান → বানর)
خَاسِئِينَ (খা-ছিঈন → অপমানিত / লাঞ্ছিত)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

অতঃপর যখন তারা যে কাজ থেকে তাদের নিষেধ করা হয়েছিল, সে ব্যাপারে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করল, তখন আমরা তাদের বললাম, “তোমরা অপমানিত বানর হয়ে যাও।”


আয়াত-১৬৭ঃ

وَإِذۡ (ওয়া ইয → এবং যখন)
تَأَذَّنَ (তাআযযানা → ঘোষণা করলেন)
رَبُّكَ (রাব্বুকা → তোমার প্রতিপালক)
لَيَبۡعَثَنَّ (লাইয়াব‘আছান্না → অবশ্যই প্রেরণ করবেন)
عَلَيۡهِمۡ (আলাইহিম → তাদের ওপর)
إِلَىٰ (ইলা → পর্যন্ত)
يَوۡمِ (ইয়াওমি → দিন)
ٱلۡقِيَٰمَةِ (আল-কিয়ামাতি → কিয়ামতের)
مَنۡ (মান → এমন কাউকে যে)
يَسُومُهُمۡ (ইয়াছূমুহুম → তাদের ওপর চাপিয়ে দেবে)
سُوٓءَ (সূআ → কঠিন)
ٱلۡعَذَابِ (আল-‘আযাবি → শাস্তি)
إِنَّ (ইন্না → নিশ্চয়ই)
رَبَّكَ (রাব্বাকা → তোমার প্রতিপালক)
لَسَرِيعُ (লাছারী‘উ → অবশ্যই দ্রুত)
ٱلۡعِقَابِ (আল-‘ইকাবি → শাস্তি প্রদানে)
وَإِنَّهُۥ (ওয়া ইন্নাহূ → এবং নিশ্চয়ই তিনি)
لَغَفُورٌ (লাগাফূর → পরম ক্ষমাশীল)
رَّحِيمٌ (রাহীম → পরম দয়ালু)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর যখন তোমার প্রতিপালক ঘোষণা করলেন যে, তিনি অবশ্যই পরকালের দিন পর্যন্ত তাদের উপর এমন লোকদের প্রেরণ করবেন, যারা তাদের উপর কর্তৃত্ব করে যাবে। নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক দ্রুত শাস্তি প্রদানকারী; আর নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।


আয়াত-১৬৮ঃ

وَقَطَّعۡنَاهُمۡ (ওয়া কাত্তা‘না-হুম → এবং আমরা তাদেরকে ছড়িয়ে দিলাম)
فِي (ফী → মধ্যে)
ٱلۡأَرۡضِ (আল-আরদ → পৃথিবীতে)
أُمَمًا (উমামান → বিভিন্ন সম্প্রদায় হিসেবে)
مِّنۡهُمُ (মিনহুম → তাদের মধ্যে)
ٱلصَّٰلِحُونَ (আস-সালিহূন → সৎকর্মশীলরা)
وَمِنۡهُمۡ (ওয়া মিনহুম → এবং তাদের মধ্যে)
دُونَ (দূনা → নিচের)
ذَٰلِكَ (যালিকা → তা)
وَبَلَوۡنَاهُمۡ (ওয়া বালাওনা-হুম → এবং আমরা তাদের পরীক্ষা করলাম)
بِٱلۡحَسَنَٰتِ (বিল-হাসানাত → কল্যাণসমূহ দ্বারা)
وَٱلسَّيِّئَٰتِ (ওয়াস-সাইয়িআত → অকল্যাণসমূহ দ্বারা)
لَعَلَّهُمۡ (লা‘আল্লাহুম → যাতে তারা)
يَرۡجِعُونَ (ইয়ারজি’উন → ফিরে আসে)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর আমরা তাদেরকে পৃথিবীতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ে ছড়িয়ে দিলাম। তাদের মধ্যে কিছু ছিল সৎকর্মশীল এবং তাদের মধ্যে কিছু ছিল এর বিপরীত। আর আমরা তাদেরকে কল্যাণ ও অকল্যাণ দ্বারা পরীক্ষা করলাম, যাতে তারা ফিরে আসে।


আয়াত-১৬৯ঃ

فَخَلَفَ (ফাখালাফা → অতঃপর তাদের পরে এলো)
مِنۡ (মিন → থেকে)
بَعۡدِهِمۡ (বা‘দিহিম → তাদের পরে)
خَلۡفٌ (খালফ → পরবর্তী একদল)
وَّرِثُوا (ওয়ারিছূ → তারা উত্তরাধিকারী হলো)
الۡكِتَٰبَ (আল-কিতা-ব → কিতাবের)
يَأۡخُذُونَ (ইয়া’খুযূন → তারা গ্রহণ করে)
عَرَضَ (আরাদ → পার্থিব)
هَٰذَا (হা-যা → এই)
الۡأَدۡنَىٰ (আল-আদনা → নিকটবর্তী পার্থিব)
وَيَقُولُونَ (ওয়া ইয়াকূলূন → এবং তারা বলে)
سَيُغۡفَرُ (সাইউগফার → ক্ষমা করা হবে)
لَنَا (লানা → আমাদের)
وَإِن (ওয়া ইন → আর যদি)
يَأۡتِهِمۡ (ইয়া’তিহিম → তাদের কাছে আসে)
عَرَضٌ (আরাদ → কোনো সাময়িক লাভ)
مِّثۡلُهُۥ (মিছলুহূ → তার অনুরূপ)
يَأۡخُذُوهُ (ইয়া’খুযূহু → তারা তা গ্রহণ করে)
أَلَمۡ (আলাম → তবে কি নয়)
يُؤۡخَذۡ (ইউ’খায → গ্রহণ করা হয়েছিল)
عَلَيۡهِم (আলাইহিম → তাদের ওপর)
مِّيثَٰقُ (মীছাক → অঙ্গীকার)
الۡكِتَٰبِ (আল-কিতা-ব → কিতাবের)
أَن (আন → যে)
لَّا (লা → না)
يَقُولُوا (ইয়াকূলূ → তারা বলবে)
عَلَى (আলা → সম্পর্কে)
اللَّهِ (আল্লাহ → আল্লাহর)
إِلَّا (ইল্লা → ছাড়া)
الۡحَقَّ (আল-হাক্ক → সত্য)
وَدَرَسُوا (ওয়া দারাসূ → এবং তারা অধ্যয়ন করেছে)
مَا (মা → যা)
فِيهِ (ফীহি → তাতে রয়েছে)
وَالدَّارُ (ওয়াদ্দা-র → আর আবাস)
الۡأٓخِرَةُ (আল-আখিরাহ → পরকালের)
خَيۡرٌ (খাইর → উত্তম)
لِّلَّذِينَ (লিল্লাযীনা → তাদের জন্য যারা)
يَتَّقُونَ (ইয়াত্তাকূন → খোদাভীরু থাকে)
أَفَلَا (আফালা → তবে কি না)
تَعۡقِلُونَ (তা‘কিলূন → তোমরা বিবেচনা করো)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

অতঃপর তাদের পরে এমন একদল তাদের স্থলাভিষিক্ত হলো, যারা কিতাবের উত্তরাধিকারী হলো। তারা এই নিকৃষ্ট পার্থিব সুবিধা গ্রহণ করে এবং বলে, “আমাদের ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” আর তাদের কাছে এর অনুরূপ কোনো সুবিধা এলে তাও তারা গ্রহণ করে। কিতাবের অঙ্গীকার কি তাদের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি যে, তারা আল্লাহ সম্পর্কে সত্য ছাড়া কিছু বলবে না? আর তারা তাতে যা ছিল তা অধ্যয়ন করেছে। আর আখিরাতের আবাস তাদের জন্য উত্তম, যারা আল্লাহভীরু থাকে। তবুও কি তোমরা বিবেচনা করবে না?


আয়াত-১৭০ঃ

وَالَّذِينَ (ওয়াল্লাযীনা → আর যারা)
يُمَسِّكُونَ (ইউমাছছিকূন → দৃঢ়ভাবে ধারণ করে)
بِالۡكِتَٰبِ (বিলকিতা-বি → কিতাবকে)
وَأَقَامُوا (ওয়া আকা-মূ → এবং প্রতিষ্ঠা করেছে)
الصَّلَاةَ (আছ-ছালা-তা → যোগাযোগকে)
إِنَّا (ইন্না → নিশ্চয়ই আমরা)
لَا (লা → না)
نُضِيعُ (নুদী‘উ → বিনষ্ট করি)
أَجۡرَ (আজর → প্রতিফল)
الۡمُصۡلِحِينَ (আল-মুসলিহীন → সংশোধনকারীদের)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর যারা কিতাবকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে এবং যোগাযোগকে প্রতিষ্ঠা করে, নিশ্চয়ই আমরা সংশোধনকারীদের প্রতিফল বিনষ্ট করি না।


আয়াত-১৭১ঃ

وَإِذۡ (ওয়া ইয → এবং যখন)
نَتَقۡنَا (নাতাকনা → আমরা উপড়ে তুললাম)
الۡجَبَلَ (আল-জাবাল → পাহাড়কে)
فَوۡقَهُمۡ (ফাওকাহুম → তাদের উপরে)
كَأَنَّهُۥ (কা-আন্নাহূ → যেন তা)
ظُلَّةٌ (জুল্লাতুন → ছায়াময় আচ্ছাদন)
وَظَنُّوا۟ (ওয়া জান্নূ → এবং তারা ধারণা করল)
أَنَّهُۥ (আন্নাহূ → যে তা)
وَاقِعٌۢ (ওয়াকি‘উন → পতিত হবে)
بِهِمۡ (বিহিম → তাদের উপর)
خُذُوا۟ (খুযূ → তোমরা গ্রহণ করো)
مَآ (মা → যা)
ءَاتَيۡنَٰكُم (আ-তাইনাকুম → আমরা তোমাদের দিয়েছি)
بِقُوَّةٍ (বিকুওওয়াতিন → দৃঢ়তার সঙ্গে)
وَاذۡكُرُوا۟ (ওয়াযকুরূ → এবং স্মরণ করো)
مَا (মা → যা)
فِيهِ (ফীহি → তাতে রয়েছে)
لَعَلَّكُمۡ (লা‘আল্লাকুম → যাতে তোমরা)
تَتَّقُونَ (তাত্তাকূন → খোদাভীরু হও)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

এবং যখন আমি পাহাড়কে তাদের উপর এভাবে তুলে ধরেছিলাম, যেন সেটি একখানি ছায়াময় আচ্ছাদন এবং তারা মনে করেছিল সেটি তাদের উপর পতিত হবে। আর আমি তোমাদেরকে যা (কিতাব) দিয়েছি, তা আঁকড়ে ধর, ও তাতে বর্ণিত বিষয়সমূহ স্মরণ (যিকির) কর, যাতে তোমরা আল্লাহভীরু হতে পারো।


আয়াত-১৭২ঃ

وَإِذۡ (ওয়া ইয → এবং যখন)
أَخَذَ (আখাযা → গ্রহণ করলেন)
رَبُّكَ (রাব্বুকা → তোমার প্রতিপালক)
مِنۢ (মিন → থেকে)
بَنِيٓ (বানী → সন্তানদের)
ءَادَمَ (আ-দাম → আদমের)
مِنۡ (মিন → থেকে)
ظُهُورِهِمۡ (জুহূরিহিম → তাদের পৃষ্ঠদেশসমূহ)
ذُرِّيَّتَهُمۡ (যুররিয়্যাতাহুম → তাদের বংশধরদের)
وَأَشۡهَدَهُمۡ (ওয়া আশহাদাহুম → এবং তাদের সাক্ষী করলেন)
عَلَىٰٓ (আলা → উপর)
أَنفُسِهِمۡ (আনফুসিহিম → তাদের নিজেদের)
أَلَسۡتُ (আলাস্তু → আমি কি নই)
بِرَبِّكُمۡ (বিরাব্বিকুম → তোমাদের প্রতিপালক)
قَالُوا۟ (কা-লূ → তারা বলল)
بَلَىٰ (বালা → হ্যাঁ, অবশ্যই)
شَهِدۡنَا (শাহিদনা → আমরা সাক্ষ্য দিলাম)
أَن (আন → যাতে)
تَقُولُوا۟ (তাকূলূ → তোমরা বলো)
يَوۡمَ (ইয়াওমা → দিনে)
الۡقِيَٰمَةِ (আল-কিয়া-মাহ → পরকালে)
إِنَّا (ইন্না → নিশ্চয়ই আমরা)
كُنَّا (কুন্না → আমরা ছিলাম)
عَنۡ (আন → থেকে)
هَٰذَا (হা-যা → এটি)
غَٰفِلِينَ (গা-ফিলীন → উদাসীন/অবগত ছিলাম না)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর যখন তোমার প্রতিপালক আদম-সন্তানদের পৃষ্ঠদেশ থেকে তাদের বংশধরদের বের করলেন এবং তাদের নিজেদের সম্পর্কে তাদের সাক্ষী করলেন—“আমি কি তোমাদের প্রতিপালক নই?” তারা বলল, “হ্যাঁ, অবশ্যই; আমরা সাক্ষ্য দিলাম।” যাতে তোমরা শেষ বিচার দিবসে বলতে না পারো, “নিশ্চয়ই আমরা এ বিষয়ে অবগত ছিলাম না।”


আয়াত-১৭৩ঃ

أَوۡ (আও → অথবা)
تَقُولُوا۟ (তাকূলূ → তোমরা বলো)
إِنَّمَآ (ইন্নামা → কেবলমাত্র)
أَشۡرَكَ (আশরাকা → অংশীদার স্থির করেছিল)
ءَابَآؤُنَا (আ-বাউনা → আমাদের পিতৃপুরুষরা)
مِن قَبۡلُ (মিন কাবলু → পূর্বে)
وَكُنَّا (ওয়া কুন্না → এবং আমরা ছিলাম)
ذُرِّيَّةً (যুররিয়্যাতান → বংশধর)
مِّنۢ بَعۡدِهِمۡ (মিম বা‘দিহিম → তাদের পরে)
أَفَتُهۡلِكُنَا (আফাতুহলিকুনা → তবে কি আপনি আমাদের ধ্বংস করবেন)
بِمَا (বিমা → যা কারণে)
فَعَلَ (ফা‘আলা → করেছে)
الۡمُبۡطِلُونَ (আল-মুবতিলূন → বাতিলপন্থীরা)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

অথবা তোমরা যেন না বলো, “আমাদের পিতৃপুরুষরাই তো পূর্বে শিরক করেছিল, আর আমরা তো তাদের পরবর্তী বংশধর ছিলাম। তবে কি আপনি আমাদের ধ্বংস করবেন সেই কারণে, যা বাতিলপন্থীরা করেছিল?”


আয়াত-১৭৪ঃ

وَكَذَٰلِكَ (ওয়া কাযা-লিকা → এবং এভাবেই)
نُفَصِّلُ (নুফাসসিলু → আমি বিস্তারিতভাবে স্পষ্ট করি)
الۡأٓيَٰتِ (আল-আ-য়া-তি → নিদর্শনসমূহকে)
وَلَعَلَّهُمۡ (ওয়া লা‘আল্লাহুম → এবং যাতে তারা)
يَرۡجِعُونَ (ইয়ারজি‘ঊন → ফিরে আসে)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর এভাবেই আমি আয়াতসমূহকে (নিদর্শনসমূহ) বিস্তারিতভাবে স্পষ্ট করি, যাতে তারা ফিরে আসে।


আয়াত-১৭৫ঃ

وَاتۡلُ (ওয়াতলু → পাঠ করো)
عَلَیۡهِمۡ (আলাইহিম → তাদের কাছে)
نَبَأَ (নাবাআ → ঘটনা)
الَّذِيٓ (আল্লাযী → যে)
ءَاتَيۡنَٰهُ (আ-তাইনা-হু → আমরা তাকে দিয়েছিলাম)
ءَايَٰتِنَا (আ-য়াতিনা → আমাদের নিদর্শনসমূহ)
فَٱنسَلَخَ (ফানছালাখা → অতঃপর সে বেরিয়ে গেল)
مِنۡهَا (মিনহা → তা থেকে)
فَأَتۡبَعَهُ (ফাআতবা‘আহু → অতঃপর তাকে অনুসরণ করল)
ٱلشَّيۡطَٰنُ (আশ-শাইতানু → কুমন্ত্রণাদাতা)
فَكَانَ (ফাকা-না → ফলে সে হয়ে গেল)
مِنَ (মিন → অন্তর্ভুক্ত)
ٱلۡغَاوِينَ (আল-গা-বীন → পথভ্রষ্টদের)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:

আর তাদের কাছে সেই ব্যক্তির ঘটনা পাঠ করো, যাকে আমরা আমাদের আয়াতসমূহ (নিদর্শনসমূহ) দিয়েছিলাম। অতঃপর সে তা থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নিল; ফলে কুমন্ত্রণাদাতা (শয়তান) তাকে অনুসরণ করল এবং সে পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।