সূরা আল বাকারা (البقرة) | গাভী
মাদানী সুরা          মোট আয়াতঃ ২৮৬

আয়াত-২৬ঃ

اِنَّ (ইন্না → নিশ্চয়ই)
اللَّهَ (আল্লাহ→ সর্বশক্তিমান সত্তা)
لَا (লা → না)
يَسْتَحْيِي (ইয়াছতাহয়ী → সংকোচ করেন)
اَنْ (আন → যে)
يَضْرِبَ (ইয়াদরিবা → উপস্থাপন করতে/দৃষ্টান্ত দিতে)
مَثَلًا (মাছালান → কোনো উপমা)
مَا (মা → যা-ই হোক)
بَعُوضَةً (বা‘উদাতান → মশা)
فَمَا (ফামা → কিংবা যা)
فَوْقَهَا (ফাওক্বাহা → তার ঊর্ধ্বে / তার উপরে)
فَأَمَّا (ফা আম্মা → অতঃপর যারা)
الَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
اٰمَنُوا (আমানূ → বিশ্বাস করেছে)
فَيَعْلَمُونَ (ফাইয়া’লামুন → তারা জানে)
اَنَّهُ (আন্নাহু → যে তা)
الْحَقُّ (আল-হাক্কু → সত্য)
مِنْ (মিন → পক্ষ থেকে)
رَبِّهِمْ (রাব্বিহিম → তাদের প্রতিপালকের)
وَاَمَّا (ওয়া আম্মা → আর যারা)
الَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
كَفَرُوا (কাফারূ → অস্বীকার করেছে)
فَيَقُولُونَ (ফাইয়াকূলূন → তারা বলে)
مَاذَا (মাযা → কী)
اَرَادَ (আরাদা → উদ্দেশ্য করেছেন)
اللَّهُ (আল্লাহু → সর্বশক্তিমান সত্তা)
بِهَٰذَا (বিহাযা → এ দ্বারা)
مَثَلًا (মাছালান → দৃষ্টান্ত)
يُضِلُّ (ইউদিল্লু → ভ্রষ্ট/লক্ষ্যচুত করেন)
بِهِ (বিহি → এর দ্বারা)
كَثِيرًا (কাছীরান → অনেককে)
وَيَهْدِي (ওয়া ইয়াহদী → এবং পথপ্রদর্শন করেন)
بِهِ (বিহি → এর দ্বারা)
كَثِيرًا (কাছীরান → অনেককে)
وَمَا (ওয়া মা → আর না)
يُضِلُّ (ইউদিল্লু → ভ্রষ্ট/লক্ষ্যচুত করেন)
بِهِ (বিহি → এর দ্বারা)
اِلَّا (ইল্লা → ছাড়া)
الْفَاسِقِينَ (আল-ফাছিক্বীন → অবাধ্যদের)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
নিশ্চয়ই আল্লাহ (সর্বশক্তিমান সত্তা) কোনো উপমা উপস্থাপন করতে সংকোচবোধ করেননা তা হোক মশা বা তার চেয়ে ঊর্ধ্বে কিছু। অতপর যারা বিশ্বাস করেছে তারা জানে, এটি তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে সত্য। আর যারা অস্বীকার করেছে তারা বলে, “এ দ্বারা কী উদ্দেশ্য?” এর মাধ্যমে আল্লাহ অনেককে লক্ষ্যচুত করেন এবং অনেককে পথপ্রদর্শন করেন; তবে তিনি এর দ্বারা কেবল অবাধ্যদেরই (ফাসিকদের) লক্ষ্যচুত করেন।


আয়াত- ২৭ঃ

الَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
يَنْقُضُونَ (ইয়ানকুদূন → ভঙ্গ করে)
عَهْدَ (আহদা → অঙ্গীকার)
اللَّهِ (আল্লাহি → আল্লাহর (সর্বশক্তিমান সত্তার)
مِنْ (মিন → থেকে)
بَعْدِ (বা‘দি → পরে)
مِيثَاقِهِ (মীছাকিহি → দৃঢ় অঙ্গীকার করার)
وَيَقْطَعُونَ (ওয়া ইয়াক্বতা’উন→ এবং ছিন্ন করে)
مَا (মা → যা)
اَمَرَ (আমারা → নির্দেশ দিয়েছেন)
اللَّهُ (আল্লাহু → সর্বশক্তিমান সত্তা)
بِهِ (বিহি → তা)
اَنْ (আন → যে)
يُوصَلَ (ইউসালা → সংযুক্ত রাখতে)
وَيُفْسِدُونَ (ওয়াইউফছিদূন → এবং অশান্তি সৃষ্টি করে)
فِي (ফী → মধ্যে)
لۡاَرۡضِ (আল-আরদ্ব → পৃথিবীতে)
اَولَٰئِكَ (উলাইকা → ওরাই)
هُمُ (হুমু → তারাই)
الْخَاسِرُونَ (আল-খাছিরূন → ক্ষতিগ্রস্ত)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যারা অঙ্গীকার দৃঢ় করার পর তা ভঙ্গ করে, যা সংযুক্ত রাখতে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন তা ছিন্ন করে এবং পৃথিবীর মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করে—ওরাই তারা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত।


আয়াত- ২৮ঃ

كَيْفَ (কাইফা → কীভাবে)
تَكْفُرُونَ (তাকফুরূন → তোমরা অস্বীকার কর)
بِاللَّهِ (বিল্লাহি → আল্লাহকে (সর্বশক্তিমান সত্তাকে)
وَكُنْتُمْ (ওয়া কুনতুম → অথচ তোমরা ছিলে)
اَمْوَاتًا (আমওয়াতান → মৃত)
فَأَحْيَاكُمْ (ফা আহইয়াকুম → অতঃপর তিনি জীবন দিলেন তোমাদের)
ثُمَّ (ছুম্মা → তারপর)
يُمِيتُكُمْ (ইউমীতুকুম → তিনি মৃত্যু দেবেন তোমাদের)
ثُمَّ (ছুম্মা → তারপর)
يُحْيِيكُمْ (ইউহয়ীকুম → পুনরায় জীবন দেবেন)
ثُمَّ (ছুম্মা → তারপর)
اِلَيْهِ (ইলাইহি → তাঁর কাছেই)
تُرْجَعُونَ (তুরজাউ‘ন → ফিরিয়ে নেওয়া হবে)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তোমরা কীভাবে আল্লাহকে অস্বীকার কর, অথচ তোমরা ছিলে মৃত—অতঃপর তিনি তোমাদের জীবিত করলেন; তারপর তিনি তোমাদের মৃত্যু দেবেন, আবার জীবন দেবেন; অতঃপর তাঁর কাছেই তোমাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

আয়াত- ২৯ঃ

هُوَ (হুয়া → তিনিই)
الَّذِي (আল্লাযী → যিনি)
خَلَقَ (খালাক্বা → সৃষ্টি করেছেন)
لَكُمْ (লাকুম → তোমাদের জন্য)
مَا (মা → যা কিছু)
فِي (ফী → মধ্যে)
الۡاَرۡضِ (আল-আরদ্ব → পৃথিবীতে)
جَمِيعًا (জামী‘আন → সবকিছু)
ثُمَّ (ছুম্মা → তারপর)
اسْتَوَىٰ (ইস্তাওয়া → মনোনিবেশ করলেন/অভিমুখী হলেন/স্থাপন করলেন কর্তৃত্ব)
اِلَی (ইলা → দিকে)
السَّمَاءِ (আস-ছামাঈ → আকাশের)
فَسَوَّاهُنَّ (ফাছাউওয়াহুন্না → অতঃপর সেগুলোকে সুবিন্যস্ত করলেন)
سَبْعَ (সাব‘আ → সাত)
سَمَاوَاتٍ (ছামাওয়াতিন → আসমানসমূহ)
وَهُوَ (ওয়া হুয়া → আর তিনি)
بِكُلِّ (বিকুল্লি → সব)
شَيْءٍ (শাইইন → বিষয়ে)
عَلِيمٌ (আলীম → সর্বজ্ঞ)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তিনিই তোমাদের জন্য পৃথিবীর সবকিছু সৃষ্টি করেছেন; তারপর আকাশের দিকে মনোনিবেশ করলেন অতপর তাকে সাত আসমানে সুবিন্যস্ত করেছেন; আর তিনি সবকিছু সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।

আয়াত- ৩০ঃ

وَاِذْ (ওয়া ইয → আর যখন)
قَالَ (ক্বালা → বললেন)
رَبُّكَ (রাব্বুকা → তোমার প্রতিপালক)
لِلْمَلَائِكَةِ (লিল-মালাইকাতিহি → ফেরেশতাদের)
اِنِّي (ইন্নী → নিশ্চয়ই আমি)
جَاعِلٌ (জা’য়িলুন → স্থাপনকারী/প্রেরণকারী)
فِي (ফী → মধ্যে)
الۡاَرۡضِ (আল-আরদ্ব → পৃথিবীতে)
خَلِيفَةً (খালিফাতান → প্রতিনিধি)
قَالُوا (কালূ → তারা বলল)
أَتَجْعَلُ (আতাজ‘আলু → আপনি কি স্থাপন করবেন)
فِيهَا (ফীহা → সেখানে)
مَنْ (মান → এমন কাউকে)
يُفْسِدُ (ইউফসিদু → অশান্তি করবে)
فِيهَا (ফীহা → সেখানে)
وَيَسْفِكُ (ওয়া ইয়াছফিকু → এবং প্রবাহিত করবে)
الدِّمَاءَ (আদ-দিমাআ → রক্তসমূহ)
وَنَحْنُ (ওয়া নাহনু → অথচ আমরা)
نُسَبِّحُ (নুসাব্বিহু → পবিত্রতা ঘোষণা করি)
بِحَمْدِكَ (বিহামদিকা → আপনার প্রশংসাসহ)
وَنُقَدِّسُ (ওয়া নুকাদ্দিসু → এবং পবিত্রতা বর্ণনা করি)
لَكَ (লাকা → আপনার জন্য)
قَالَ (ক্বালা → তিনি বললেন)
اِنِّي (ইন্নী → নিশ্চয়ই আমি)
اَعْلَمُ (আ‘লামু → জানি)
مَا (মা → যা)
لَا (লা → না)
تَعْلَمُونَ (তা‘লামূন → তোমরা জানো)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর যখন তোমার প্রতিপালক ফেরেশতাদের বললেন, “ নিশ্চয়ই আমি পৃথিবীতে প্রতিনিধি প্রেরণ করব।” তারা বলল, “আপনি কি সেখানে এমন কাউকে প্রেরণ করবেন, যে সেখানে অশান্তি করবে ও রক্ত প্রবাহিত করবে? অথচ আমরা আপনার প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করি।” তিনি বললেন, “নিশ্চয়ই আমি যা জানি, তোমরা তা জানো না।”

আয়াত ৩১ঃ

وَعَلَّمَ (ওয়া ‘আল্লামা → এবং শিক্ষা দিলেন)
اٰدَمَ (আদামা → আদমকে)
الۡاَسۡمَآءَ (আল-আছমাই → নামসমূহ)
كُلَّهَا (কুল্লাহা → সবকিছুর)
ثُمَّ (ছুম্মা → তারপর)
عَرَضَهُمْ (আরাদাহুম → উপস্থাপন করলেন সেগুলোকে)
عَلَى (আলা → সামনে)
الْمَلَائِكَةِ (আল-মালায়িকাহ → ফেরেশতাদের)
فَقَالَ (ফাক্বালা → অতঃপর বললেন)
اَنْبِئُونِي (আম্বিউনী → আমাকে জানাও)
بِأَسْمَاءِ (বিআছমাই → নামসমূহ)
هَٰؤُلَاءِ (হা’উলাই → এদের)
اِنْ (ইন → যদি)
كُنْتُمْ (কুনতুম → তোমরা হও)
صَادِقِينَ (সাদিক্বীন → সত্যবাদী)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
এবং তিনি আদমকে সবকিছুর নামসমূহ শিক্ষা দিলেন। তারপর সেগুলো ফেরেশতাদের সামনে উপস্থাপন করে বললেন, “আমাকে জানাও এসবের নামসমূহ- যদি তোমরা সত্যবাদী হও।”


আয়াত ৩২

قَالُوا (কালূ → তারা বলল)
سُبْحَانَكَ (সুবহানাকা → আপনি পবিত্র)
لَا (লা → না)
عِلْمَ (ইলমা → কোনো জ্ঞান)
لَنَا (লানা → আমাদের জন্য/আমাদের নেই)
اِلَّا (ইল্লা → ছাড়া)
مَا (মা → যা)
عَلَّمْتَنَا (আল্লামতানা → আপনি আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন)
اِنَّكَ (ইন্নাকা → নিশ্চয়ই আপনি)
اَنْتَ (আন্তা → আপনিই)
الْعَلِيمُ (আল-আলীম → সর্বজ্ঞ)
الْحَكِيمُ (আল-হাকীম → প্রজ্ঞাময়)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তারা বলল, “আপনি পবিত্র! আমাদের কোনো জ্ঞান নেই, আপনি যা শিক্ষা দিয়েছেন তা ছাড়া। নিশ্চয়ই আপনিই সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।”


আয়াত ৩৩

قَالَ (ক্বালা → তিনি বললেন)
یٰۤاٰدَمُ (ইয়া আদামু →হে আদম)
اَنْبِئْهُمْ (আম্বি’হুম → তাদের জানাও)
بِاَسۡمَآئِہِمۡ (বিআসমা’ইহিম → তাদের নামসমূহ)
فَلَمَّا (ফালাম্মা → অতঃপর যখন)
اَنۡۢبَاَہُمۡ (আম্বা’আহুম → তিনি তাদের জানালেন)
بِاَسۡمَآئِہِمۡ (বিআসমা’ইহিম → তাদের নামসমূহ)
قَالَ (ক্বালা → তিনি বললেন)
اَلَمْ (আলাম → আমি কি বলিনি?)
اَقُلْ (আকুল → আমি বলেছিলাম)
لَكُمْ (লাকুম → তোমাদেরকে)
اِنِّي (ইন্নী → নিশ্চয়ই আমি)
اَعْلَمُ (আ‘লামু → জানি)
غَيْبَ (গাইবা → অদৃশ্য বিষয়)
السَّمَاوَاتِ (আস-সামাওয়াতি → আসমানসমূহের)
وَالۡاَرۡضِ (ওয়াল-আরদ্ব → ও পৃথিবীর)
وَاَعْلَمُ (ওয়া আ‘লামু → এবং আমি জানি)
مَا (মা → যা)
تُبْدُونَ (তুবদূন → তোমরা প্রকাশ কর)
وَمَا (ওয়া মা → এবং যা)
كُنْتُمْ (কুনতুম → তোমরা ছিলে)
تَكْتُمُونَ (তাকতুমূন → গোপন কর)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তিনি বললেন, “হে আদম, তাদেরকে জানাও নামসমূহ।” অতপর যখন আদম তাদেরকে নামসমূহ জানালেন, তিনি বললেন, “আমি কি তোমাদের বলিনি যে, আসমান ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় আমি জানি এবং যা তোমরা প্রকাশ কর ও যা গোপন রাখ, তাও আমি জানি?”


আয়াত ৩৪

وَاِذْ (ওয়া ইয → আর যখন)
قُلْنَا (কুলনা → আমি বললাম)
لِلْمَلَائِكَةِ (লিল-মালায়িকাহ → ফেরেশতাদের)
اسْجُدُوا (ইসজুদূ → মান্য করো)
لِآدَمَ (লি আদামা → আদমকে)
فَسَجَدُوا (ফাসাজাদূ → অতঃপর তারা মান্য করল)
اِلَّا (ইল্লা → কিন্তু ব্যতীত)
اِبْلِيسَ (ইবলিছা → ইবলিস- কুমন্ত্রণাদাতা)
اَبَىٰ (আবা → অস্বীকার করল)
وَاسْتَكْبَرَ (ওয়াস্তাকবারা → অহংকার করল)
وَكَانَ (ওয়া কানা → এবং সে হয়ে গেল)
مِنَ (মিন → অন্তর্ভুক্ত)
الْكَافِرِينَ (আল-কাফিরীন → অস্বীকারকারীদের)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর যখন আমি ফেরেশতাদের বললাম, “আদমকে মান্য করো,” তখন তারা মেনে নিল—কিন্তু কুমন্ত্রণাদাতা (ইবলিস) অস্বীকার করল, অহংকার করল এবং সে অস্বীকারকারীদের (কাফিরদের) অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।


আয়াত ৩৫

وَقُلْنَا (ওয়া কুলনা → এবং আমরা বললাম)
یٰۤاٰدَمُ (ইয়া আদামু → হে আদম)
اسْكُنْ (উছকুন → বসবাস করো)
اَنْتَ (আন্তা → তুমি)
وَزَوْجُكَ (ওয়া যাওজুকা → এবং তোমার স্ত্রী/সঙ্গী)
الْجَنَّةَ (আল-জান্নাহ → উদ্যাণ/বাগান)
وَكُلَا (ওয়া কুলা → এবং তোমরা উভয়ে খাও)
مِنْهَا (মিনহা → সেখান থেকে)
رَغَدًا (রাগাদান → স্বাচ্ছন্দ্যে/পরিপূর্ণভাবে)
حَيْثُ (হাইছু → যেখানে)
شِئْتُمَا (শি’তুমা → তোমরা উভয়ে ইচ্ছামত কর)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
تَقْرَبَا (তাকরাবা → তোমরা নিকটবর্তী হও)
هَٰذِهِ (হাযিহি → এই)
الشَّجَرَةَ (আশ-শাজারাহ → বৃক্ষটির)
فَتَكُونَا (ফাতাকূনা → তাহলে হয়ে যাবে তোমরা উভয়ে)
مِنَ (মিন → অন্তর্ভুক্ত)
الظَّالِمِينَ (আয-যালিমীন → সীমালঙ্ঘনকারীদের)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
এবং আমি বললাম, “হে আদম, তুমি ও তোমার স্ত্রী বাগানে বসবাস করো এবং সেখান থেকে তোমরা উভয়ই আহার কর স্বাচ্ছন্দ্যে ও ইচ্ছামত; কিন্তু এই বৃক্ষের নিকটবর্তী হয়ো না, তাহলে তোমরা সীমালঙ্ঘনকারীদের (যালিমদের) অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।”


আয়াত ৩৬

فَاَزَلَّہُمَا (ফাআযাল্লাহুমা → অতঃপর তাদের উভয়কে বিচ্যুত করল/ভুল পথে নিল)
الشَّيْطَانُ (আশ-শাইত্বানু→ কুমন্ত্রণাদাতা)
عَنْهَا (আনহা → তা থেকে)
فَأَخْرَجَهُمَا (ফা আখরাজাহুমা → অতঃপর বের করে দিল/পতন ঘটালো উভয়কে)
مِمَّا (মিম্মা → যা থেকে)
كَانَا (কানা → তারা উভয়ে ছিল)
فِيهِ (ফীহি → তাতে)
وَقُلْنَا (ওয়া কুলনা → এবং আমি বললাম)
اهْبِطُوا (ইহবিতূ → তোমরা অবতরণ করো)
بَعْضُكُمْ (বা‘দুকুম → তোমাদের কেউ কেউ)
لِبَعْضٍ (লিবা‘দিন → অপরের জন্য)
عَدُوٌّ (আদুউন → শত্রু)
وَلَكُمْ (ওয়া লাকুম → এবং তোমাদের জন্য)
فِي (ফী → মধ্যে)
الۡاَرۡضِ (আল-আরদ্ব → পৃথিবীতে)
مُسْتَقَرٌّ (মুছতাক্বাররুন → অবস্থানস্থল)
وَمَتَاعٌ (ওয়ামাতা’উন → ভোগের উপকরণ)
اِلَىٰ (ইলা → পর্যন্ত)
حِينٍ (হীন → নির্দিষ্ট সময়)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
অতঃপর কুমন্ত্রণাদাতা (শয়তান) তাদের উভয়কে তা থেকে পতন ঘটালো এবং যে অবস্থায় তারা ছিল সেখান থেকে বের করে দিল। আর আমি বললাম, “তোমরা অবতরণ করো—একে অপরের শত্রু হয়ে। পৃথিবীতে তোমাদের জন্য থাকবে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবস্থান ও ভোগের উপকরণ।”


আয়াত ৩৭

فَتَلَقَّىٰ (ফাতালাক্কা → অতঃপর অর্জন/গ্রহণ করলেন)
آدَمُ (আদামু → আদম)
مِنْ (মিন → পক্ষ থেকে)
رَبِّهِ (রাব্বিহি → তার প্রতিপালকের)
كَلِمَاتٍ (কালিমাতিন → কিছু বাণী)
فَتَابَ (ফাতাবা → অতঃপর তিনি ক্ষমা করলেন)
عَلَيْهِ (আলাইহি → তার উপর)
اِنَّهُ (ইন্নাহু → নিশ্চয়ই তিনি)
هُوَ (হুয়া → তিনিই)
التَّوَّابُ (আত-তাওয়াব → ক্ষমা কবুলকারী)
الرَّحِيمُ (আর-রহীম → পরম দয়ালু)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
অতঃপর আদম তার প্রতিপালকের কাছ থেকে কিছু বাণী অর্জন করলেন; অতঃপর তিনি তার প্রতি ক্ষমা করলেন, নিশ্চয়ই তিনিই ক্ষমা কবুলকারী, পরম দয়ালু।


আয়াত ৩৮

قُلْنَا (কুলনা → আমরা বললাম)
اهْبِطُوا (ইহবিতূ → তোমরা অবতরণ করো)
مِنْهَا (মিনহা → তা থেকে)
جَمِيعًا (জামী‘আন → সবাই)
فَإِمَّا (ফাইম্মা → অতঃপর যখনই)
یَاۡتِیَنَّکُمۡ (ইয়াতিয়ান্নাকুম → তোমাদের কাছে আসবে)
مِنِّي (মিন্নী → আমার পক্ষ থেকে)
هُدًى (হুদান → পথনির্দেশ)
فَمَنْ (ফামান → অতএব যে)
تَبِعَ (তাবি‘আ → অনুসরণ করবে)
هُدَايَ (হুদায়া → আমার পথনির্দেশ)
فَلَا (ফালা → তবে না)
خَوْفٌ (খাওফুন → কোনো ভয়)
عَلَيْهِمْ (আলাইহিম → তাদের উপর)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
هُمْ (হুম → তারা)
يَحْزَنُونَ (ইয়াহযানূন → দুঃখিত হবে)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আমি বললাম, “তোমরা সবাই তা থেকে অবতরণ করো। এরপর যখনই আমার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে পথনির্দেশ আসবে, অতএব যে আমার পথনির্দেশ অনুসরণ করবে—তাদের কোনো ভয় থাকবে না এবং তারা দুঃখিতও হবে না।”


আয়াত ৩৯

وَالَّذِينَ (ওয়াল্লাযীনা → আর যারা)
كَفَرُوا (কাফারূ → অস্বীকার করেছে)
وَكَذَّبُوا (ওয়া কাযযাবূ → এবং মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে)
بِآيَاتِنَا (বিআয়াতিনা → আমাদের নিদর্শনসমূহকে)
اُولٰٓئِکَ (উলাইকা → তারাই)
اَصْحَابُ (আসহাবু → সঙ্গী/অধিবাসী)
النَّارِ (আন্নার → আগুনের)
هُمْ (হুম → তারা)
فِيهَا (ফীহা → সেখানে)
خَالِدُونَ (খালিদূন → চিরস্থায়ী)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর যারা অস্বীকার করেছে এবং আমার নিদর্শনসমূহকে (আয়াতসমূহকে) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে—তারাই আগুনের অধিবাসী; তারা সেখানে চিরস্থায়ী থাকবে।


আয়াত ৪০

يَا (ইয়া → হে)
بَنِي (বনী → সন্তানেরা)
اِسْرَائِيلَ (ইছরাঈল → ইস্রাঈল)
اذْكُرُوا (উযকুরূ → স্মরণ করো)
نِعْمَتِيَ (নি‘মাতিয়া → আমার অনুগ্রহ/প্রদত্ত কল্যাণ)
الَّتِي (আল্লাতী → যা)
اَنْعَمْتُ (আন‘আমতু → আমি দান করেছি)
عَلَيْكُمْ (আলাইকুম → তোমাদের উপর)
وَاَوْفُوا (ওয়া আওফূ → এবং পূর্ণ করো)
بِعَهْدِي (বিআহদী → আমার অঙ্গীকার)
اُوفِ (উফি → আমি পূর্ণ করব)
بِعَهْدِكُمْ (বিআহদিকুম → তোমাদের অঙ্গীকার)
وَاِيَّايَ (ওয়াইয়্যাইয়া → এবং শুধু আমাকেই)
فَارْهَبُونِ (ফারহাবূন → ভয় করো)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
হে ইস্রাঈলের সন্তানেরা! আমার সেই প্রদত্ত কল্যাণ স্মরণ করো, যা আমি তোমাদের উপর দান করেছি এবং তোমরা আমার অঙ্গীকার পূর্ণ করো—আমি তোমাদের অঙ্গীকার পূর্ণ করব। আর শুধু আমাকেই ভয় করো।

আয়াত ৪১

وَاٰمِنُوۡا (ওয়া আমিনূ → এবং বিশ্বাস করো)
بِمَا (বিমা → সে বিষয়ে যা)
اَنْزَلْتُ (আনযালতু → আমি অবতীর্ণ করেছি)
مُصَدِّقًا (মুছাদ্দিকান → সত্যায়নকারী/সমর্থনকারী)
لِمَا (লিমা → তার যা)
مَعَكُمْ (মা‘আকুম → তোমাদের কাছে আছে)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
تَكُونُوا (তাকূনূ → তোমরা হও)
اَوَّلَ (আওয়ালা → প্রথম)
كَافِرٍ (কাফিরিন → অস্বীকারকারী)
بِهِ (বিহি → এর প্রতি)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
تَشْتَرُوا (তাশতারূ → তোমরা বিনিময়/বিক্রি করো)
بِآيَاتِي (বিআয়াতী → আমার নিদর্শনসমূহ)
ثَمَنًا (ছামানান → মূল্য)
قَلِيلًا (কলীলান → সামান্য)
وَاِيَّايَ (ওয়া ইয়াইয়া → এবং শুধু আমাকেই)
فَاتَّقُونِ (ফাত্তাকূন → ভয় করো/সচেতন হও)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
এবং তোমরা বিশ্বাস করো সে বিষয়ে যা আমি অবতীর্ণ করেছি—যা তোমাদের কাছে আছে তার সত্যায়নকারী। আর তোমরা এর প্রথম অস্বীকারকারী হয়ো না (কুফুরি করোনা)। আমার নিদর্শনসমূহ (আয়াতসমূহ) সামান্য মূল্যে বিক্রি করো না। আর শুধু আমাকেই ভয় করো।


আয়াত ৪২

وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
تَلْبِسُوا (তালবিছু→ তোমরা মিশ্রিত করো)
الْحَقَّ (আল-হাক্কা → সত্যকে)
بِالْبَاطِلِ (বিলবাত্বিলি → মিথ্যার সঙ্গে)
وَتَكْتُمُوا (ওয়া তাকতুমূ → এবং গোপন করো)
الْحَقَّ (আল-হাক্কা → সত্য)
وَاَنْتُمْ (ওয়া আনতুম → অথচ তোমরা)
تَعْلَمُونَ (তা‘লামূন → জানো)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর তোমরা সত্যকে মিথ্যার সঙ্গে মিশ্রিত করো না এবং জেনেশুনে সত্য গোপন করো না।


আয়াত ৪৩

وَاَقِيمُوا (আক্বীমূ → এবং কায়েম করো)
الصَّلَاةَ (আস-সালাতা → যোগাযোগ)
وَاٰتُوا (ওয়া আতূ → এবং আদায় করো)
الزَّكَاةَ (আয-যাকাতা → পরিশুদ্ধ)
وَارْكَعُوا (ওয়ারকাঊ → এবং বিনম্র হও)
مَعَ (মা‘আ → সঙ্গে)
الرَّاكِعِينَ (আর-রাকিঈন → বিনম্রদের)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
সুতরাং যোগাযোগ (সালাত) প্রতিষ্ঠা করো, পরিশুদ্ধ (যাকাত) হও এবং বিনম্রদের (রুকুকারীদের) সঙ্গে বিনম্র হও।


আয়াত ৪৪

اَتَأْمُرُونَ (আতা’মুরূন → তোমরা কি নির্দেশ দাও)
النَّاسَ (আন্নাসা → মানুষকে)
بِالْبِرِّ (বিল-বির্রি → সৎকর্মের)
وَتَنْسَوْنَ (ওয়া তানসাওনা → এবং ভুলে যাও)
اَنْفُسَكُمْ (আনফুসাকুম → নিজেদেরকে)
وَاَنْتُمْ (ওয়া আনতুম → অথচ তোমরা)
تَتْلُونَ (তাতলূন → তিলাওয়াত কর)
الْكِتَابَ (আল-কিতাবা → কিতাব)
اَفَلَا (আফালা → তবে কি না?)
تَعْقِلُونَ (তা‘কিলূন → তোমরা অনুধাবন কর)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তোমরা কি মানুষকে সৎকর্মের নির্দেশ দাও অথচ নিজেদেরকে ভুলে যাও, যখন তোমরা কিতাব তিলাওয়াত কর? তবে কি তোমরা অনুধাবন করো না?


আয়াত ৪৫

وَاسْتَعِينُوا (ওয়াছতাঈনূ→ এবং সাহায্য চাও)
بِالصَّبْرِ (বিস-সাবরি → ধৈর্যের মাধ্যমে)
وَالصَّلَاةِ (ওয়াস-সালাতি → ও যোগাযোগের মাধ্যমে)
وَاِنَّهَا (ওয়া ইন্নাহা → এবং নিশ্চয়ই তা)
لَكَبِيرَةٌ (লাকাবীরাতুন → অবশ্যই কঠিন)
اِلَّا (ইল্লা → ছাড়া)
عَلَى (আলা → উপর)
الْخَاشِعِينَ (আল-খাশিঈন → বিনয়ীদের)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
ধৈর্য্য ও যোগাযোগের (সালাতের) মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তা কঠিন—তবে বিনয়ীদের জন্য নয়।


আয়াত ৪৬

الَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
يَظُنُّونَ (ইয়াজুন্নূন→ দৃঢ় বিশ্বাস রাখে)
اَنَّهُمْ (আন্নাহুম → যে তারা)
مُلَاقُوا (মুলাকূ → সাক্ষাৎকারী হবে)
رَبِّهِمْ (রাব্বিহিম → তাদের প্রতিপালকের)
وَاَنَّهُمْ (ওয়া আন্নাহুম → এবং যে তারা)
اِلَيْهِ (ইলাইহি → তাঁর কাছেই)
رَاجِعُونَ (রাজিঊন → প্রত্যাবর্তনকারী)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যারা দৃঢ় বিশ্বাস রাখে যে তারা তাদের প্রতিপালকের সাক্ষাৎ লাভ করবে এবং তাঁর কাছেই প্রত্যাবর্তন করবে।


আয়াত ৪৭

يَا (ইয়া → হে)
بَنِي (বনী → সন্তানেরা)
اِسْرَائِيلَ (ইছরাঈল→ ইস্রাঈল)
اذْكُرُوا (উযকুরূ → স্মরণ করো)
نِعْمَتِيَ (নি‘মাতিয়া → আমার প্রদত্ত কল্যাণ)
الَّتِي (আল্লাতী → যা)
اَنْعَمْتُ (আন‘আমতু → আমি দান করেছি)
عَلَيْكُمْ (আলাইকুম → তোমাদের উপর)
وَاَنِّي (ওয়া আন্নী → এবং যে আমি)
فَضَّلْتُكُمْ (ফাদ্দালতুকুম → মর্যাদা দিয়েছি তোমাদের)
عَلَى (আলা → উপর)
الْعَالَمِينَ (আল-আলামীন → সমগ্র জগতের)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
হে ইস্রাঈলের সন্তানেরা! আমার সেই কল্যাণসমূহ স্মরণ করো যা আমি তোমাদের উপর দান করেছি এবং আমি তোমাদের সমগ্র জগতের উপর মর্যাদা দিয়েছিলাম।


আয়াত ৪৮

وَاتَّقُوا (ওয়াত্তাকূ → এবং ভয় করো/সচেতন হও)
يَوْمًا (ইয়াওমান → সেই দিনকে)
لَا (লা → না)
تَجْزِي (তাজযী → কাজে আসবে)
نَفْسٌ (নাফসুন → কোনো সত্তা)
عَنْ (আন → কারো পক্ষ থেকে)
نَفْسٍ (নাফসিন → অন্য সত্তার)
شَيْئًا (শাই’আন → কিছুই)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
يُقْبَلُ (ইউক্ববালু → গ্রহণ করা হবে)
مِنْهَا (মিনহা → তার কাছ থেকে)
شَفَاعَةٌ (শাফা‘আতুন → সুপারিশ)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
يُؤْخَذُ (ইউ’খযু → নেওয়া হবে)
مِنْهَا (মিনহা → তার কাছ থেকে)
عَدْلٌ (আদলুন → বিনিময়)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
هُمْ (হুম → তারা)
يُنْصَرُونَ (ইয়ানসারূন→ সাহায্যপ্রাপ্ত হবে)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
এবং সেই দিনকে ভয় কর যেদিন কেউ (কোন নফস) কারও (কোন নফসের) কাজে আসবে না; তার কাছ থেকে কোনো বিনিময় নেওয়া হবে না, কোনো সুপারিশও গ্রহণ করা হবে না, এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবেনা।


আয়াত ৪৯

وَاِذْ (ওয়া ইয → আর যখন)
نَجَّيْنَاكُمْ (নাজ্জাইনা-কুম → আমরা তোমাদের উদ্ধার করেছিলাম)
مِنْ (মিন → থেকে)
اٰلِ (আলি → বংশ/পরিবার)
فِرْعَوْنَ (ফির‘আউনা → ফিরআউন)
يَسُومُونَكُمْ (ইয়াছূমূনাকুম→ তারা তোমাদেরকে নিপীড়ন করত)
سُوءَ (সূ’আ → নিকৃষ্ট)
الْعَذَابِ (আল-আযাবি → শাস্তি)
يُذَبِّحُونَ (ইুযাব্বিহূন → জবাই করত)
اَبْنَاءَكُمْ (আবনা’আকুম → তোমাদের পুত্রদের)
وَيَسْتَحْيُونَ (ওয়া ইয়াস্তাহইয়ূন → এবং জীবিত রাখত)
نِسَاءَكُمْ (নিসা’আকুম → তোমাদের নারীদের)
وَفِي (ওয়া ফী → এবং এতে ছিল)
ذَٰلِكُمْ (যালিকুম → তাতে)
بَلَاءٌ (বালা’উন → এক পরীক্ষা)
مِنْ (মিন → পক্ষ থেকে)
رَبِّكُمْ (রাব্বিকুম → তোমাদের প্রতিপালকের)
عَظِيمٌ (আজীমুন → মহান)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর যখন আমি তোমাদের ফিরআউনের বংশ থেকে উদ্ধার করেছিলাম—তারা তোমাদেরকে নিকৃষ্ট শাস্তিতে নিপীড়ন করত, তোমাদের পুত্রদের জবাই করত এবং নারীদের জীবিত রাখত। এতে তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে ছিল এক মহা পরীক্ষা।


আয়াত ৫০

وَاِذْ (ওয়া ইয → আর যখন)
فَرَقْنَا (ফারাক্বনা → আমরা বিভক্ত করেছিলাম)
بِكُمُ (বিকুমু → তোমাদের জন্য)
الْبَحْرَ (আল-বাহরা → সাগর)
فَأَنْجَيْنَاكُمْ (ফা আনজাইনা-কুম → অতঃপর আমরা তোমাদের রক্ষা করলাম)
وَاَغْرَقْنَا (ওয়া আগরাক্বনা → এবং ডুবিয়ে দিলাম)
اٰلَ (আলা → বংশ/পরিবার)
فِرْعَوْنَ (ফির‘আউনা → ফিরআউন)
وَاَنْتُمْ (ওয়া আনতুম → আর তোমরা)
تَنْظُرُونَ (তানজুরূন→ প্রত্যক্ষ করছিলে)

পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর যখন আমি তোমাদের জন্য সাগর বিভক্ত করেছিলাম—অতঃপর তোমাদের রক্ষা করলাম এবং ফিরআউনের বংশকে ডুবিয়ে দিলাম, আর তোমরা তা প্রত্যক্ষ করছিলে।