সূরা আল আনফাল (الأنفال) | অতিরিক্ত প্রাপ্তিসমূহ/যুদ্ধলব্ধ সম্পদ
মাদানী সুরা মোট আয়াতঃ ৭৫
رَّبِّ اَعُوۡذُ بِکَ مِنۡ هَمَزٰتِ الشَّیٰطِیۡنِ
২৩:৯৭ – হে আমার প্রতিপালক! আমি শয়তানদের প্ররোচনা হতে আপনার আশ্রয় চাই।
وَاَعُوۡذُ بِکَ رَبِّ اَنۡ یَّحۡضُرُوۡنِ
২৩:৯৮ – হে আমার প্রতিপালক! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই যাতে তারা আমার কাছেও আসতে না পারে।
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু।
আয়াত-০১ঃ
يَسۡأَلُونَكَ (ইয়াছআলূনাকা → তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে)
عَنِ (আনি → সম্পর্কে)
الۡأَنفَالِ (আনফা-ল → অতিরিক্ত প্রাপ্ত / অতিরিক্ত অংশসমূহ)
قُلِ (কুলি → বলো)
الۡأَنفَالُ (আনফা-ল → অতিরিক্ত প্রাপ্ত / অতিরিক্ত অংশসমূহ)
لِلَّهِ (লিল্লা-হি → আল্লাহর জন্য)
وَالرَّسُولِ (ওয়ার-রাছূলি → এবং রসূলের জন্য)
فَاتَّقُوا (ফাত্তাকূ → তাই আল্লাহভীরুতা অবলম্বন করো)
اللَّهَ (আল্লাহ → আল্লাহর ব্যাপারে)
وَأَصۡلِحُوا (ওয়া আসলিহূ → এবং সংশোধন করো)
ذَاتَ (যা-তা → নিজস্বতা)
بَيۡنِكُمۡ (বাইনিকুম → তোমাদের মধ্যবর্তী)
وَأَطِيعُوا (ওয়া আতী‘ঊ → এবং আনুগত্য করো)
اللَّهَ (আল্লাহ → আল্লাহর)
وَرَسُولَهُۥ (ওয়া রাছূলাহূ → এবং তাঁর রসূলের)
إِن (ইন → যদি)
كُنتُمۡ (কুনতুম → তোমরা হও)
مُّؤۡمِنِينَ (মু’মিনীন → একনিষ্ঠ বিশ্বাসী)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তারা তোমাকে অতিরিক্ত প্রাপ্ত অংশ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলো, “অতিরিক্ত প্রাপ্ত অংশ আল্লাহ ও রাসূলের জন্য।” অতএব, আল্লাহর ব্যাপারে ভীত হও, তোমাদের মধ্যবর্তী নিজস্বতার সংশোধন করো এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করো, যদি তোমরা একনিষ্ঠ বিশ্বাসী হও।
আয়াত-০২ঃ
إِنَّمَا (ইন্নামা → প্রকৃতপক্ষে)
الۡمُؤۡمِنُونَ (আল-মু’মিনূন → একনিষ্ঠ বিশ্বাসীরা)
الَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
إِذَا (ইযা → যখন)
ذُكِرَ (যুকিরা → স্মরণ করা হয়)
اللَّهُ (আল্লাহ → আল্লাহকে)
وَجِلَتۡ (ওয়াজিলাত → কেঁপে ওঠে)
قُلُوبُهُمۡ (কুলূবুহুম → তাদের অন্তরসমূহ)
وَإِذَا (ওয়া ইযা → এবং যখন)
تُلِيَتۡ (তুলিয়াত → পাঠ করা হয়)
عَلَيۡهِمۡ (আলাইহিম → তাদের প্রতি)
آيَاتُهُۥ (আয়া-তুহূ → তাঁর নিদর্শনসমূহ)
زَادَتۡهُمۡ (যা-দাতহুম → তাদের বৃদ্ধি করে)
إِيمَانًا (ঈমা-নান → বিশ্বাস)
وَعَلَىٰ (ওয়া ‘আলা → এবং তার প্রতি)
رَبِّهِمۡ (রাব্বিহিম → তাদের প্রতিপালকের)
يَتَوَكَّلُونَ (ইয়াতাওয়াক্কালূন → তারা নির্ভর করে)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
প্রকৃতপক্ষে মুমিন (একনিষ্ঠ বিশ্বাসী) তো তারাই—যখন আল্লাহকে স্মরণ করা হয়, তখন যাদের অন্তর কেঁপে ওঠে; আর যখন তাদের সামনে তাঁর আয়াতসমূহ (নিদর্শনসমূহ) পাঠ করা হয়, তা তাদের বিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং তারা তাদের প্রতিপালকের উপরই নির্ভর করে।
আয়াত-০৩ঃ
الَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
يُقِيمُونَ (ইউকীমূন → প্রতিষ্ঠা করে)
الصَّلَاةَ (আস-সালা-তা → যোগাযোগ / সংযোগ)
وَمِمَّا (ওয়া মিম্মা → এবং যা কিছু থেকে)
رَزَقۡنَاهُمۡ (রাঝাকনা-হুম → আমরা তাদের প্রদান করেছি জীবিকা)
يُنفِقُونَ (ইউনফিকূন → তারা ব্যয় করে / মুক্তভাবে প্রদান করে)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যারা যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করে এবং আমরা তাদের যা কিছু জীবিকা প্রদান করেছি, তা থেকে তারা মুক্তভাবে ব্যয় করে।
আয়াত-০৪ঃ
أُولَٰئِكَ (উলাইকা → তারাই)
هُمُ (হুমু → তারা)
الۡمُؤۡمِنُونَ (আল-মু’মিনূন → একনিষ্ঠ বিশ্বাসীরা)
حَقًّا (হাক্কান → সত্যিকারভাবে)
لَهُمۡ (লাহুম → তাদের জন্য)
دَرَجَاتٌ (দারাজা-ত → মর্যাদার স্তরসমূহ)
عِندَ (ইন্দা → নিকট)
رَبِّهِمۡ (রাব্বিহিম → তাদের প্রতিপালকের)
وَمَغۡفِرَةٌ (ওয়া মাগফিরাহ → এবং ক্ষমা)
وَرِزۡقٌ (ওয়া রিঝক → এবং জীবিকা)
كَرِيمٌ (কারীম → সম্মানজনক / মর্যাদাপূর্ণ)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তারাই সত্যিকারের মুমিন (একনিষ্ঠ বিশ্বাসী)। তাদের প্রতিপালকের নিকট তাদের জন্য রয়েছে মর্যাদার স্তরসমূহ, ক্ষমা এবং সম্মানজনক প্রাপ্তি।
আয়াত-০৫ঃ
كَمَا (কামা → যেভাবে)
أَخۡرَجَكَ (আখরাজাকা → তিনি তোমাকে বের করেছেন)
رَبُّكَ (রাব্বুকা → তোমার প্রতিপালক)
مِنۢ (মিন → থেকে)
بَيۡتِكَ (বাইতিকা → তোমার ঘর)
بِالۡحَقِّ (বিলহাক্কি → সত্য ও ন্যায়ের ভিত্তিতে)
وَإِنَّ (ওয়া ইন্না → আর নিশ্চয়ই)
فَرِيقًا (ফারীকান → একটি দল)
مِّنَ (মিন → থেকে)
الۡمُؤۡمِنِينَ (আল-মু’মিনীন → একনিষ্ঠ বিশ্বাসীদের)
لَكَارِهُونَ (লাকা-রিহূন → অনিচ্ছুক)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যেভাবে তোমার প্রতিপালক তোমাকে ন্যায়ের ভিত্তিতে তোমার ঘর থেকে বের করেছিলেন, অথচ মুমিনদের (একনিষ্ঠ বিশ্বাসীদের) একটি দল তা অপছন্দ করছিল।
আয়াত-০৬ঃ
يُجَادِلُونَكَ (ইউজা-দিলূনাকা → তারা তোমার সঙ্গে তর্ক করে)
فِي (ফী → বিষয়ে)
الۡحَقِّ (আল-হাক্কি → সত্য)
بَعۡدَ (বা‘দা → পরে)
مَا (মা → যখন)
تَبَيَّنَ (তাবাইয়ানা → স্পষ্ট হয়ে গেছে)
كَأَنَّمَا (কাআন্নামা → যেন)
يُسَاقُونَ (ইউছা-কূন → তাদেরকে চালিত করা হচ্ছে)
إِلَى (ইলা → দিকে)
الۡمَوۡتِ (আল-মাওত → মৃত্যু)
وَهُمۡ (ওয়া হুম → অথচ তারা)
يَنظُرُونَ (ইয়ানজুরূন → তাকিয়ে দেখছে)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
সত্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পরও তারা তোমার সঙ্গে সে বিষয়ে এমনভাবে তর্ক করে, যেন তাদেরকে মৃত্যুর দিকে তাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং তারা তা নিজ চোখে দেখতে পাচ্ছে।
আয়াত-০৭ঃ
وَإِذۡ (ওয়া ইয → আর যখন)
يَعِدُكُمُ (ইয়া‘ইদুকুম → তিনি তোমাদের প্রতিশ্রুতি দেন)
اللَّهُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
إِحۡدَى (ইহদা → একটি)
الطَّائِفَتَيۡنِ (আত্-তা-ইফাতাইন → দুই দলের)
أَنَّهَا (আন্নাহা → যে তা)
لَكُمۡ (লাকুম → তোমাদের জন্য)
وَتَوَدُّونَ (ওয়া তাওয়াদ্দূন → আর তোমরা কামনা কর)
أَنَّ (আন্না → যে)
غَيۡرَ (গাইরা → ছাড়া)
ذَاتِ (যা-তি → অধিকারী)
الشَّوۡكَةِ (আশ-শাওকাহ → সামর্থ্য)
تَكُونُ (তাকূন → হয়)
لَكُمۡ (লাকুম → তোমাদের জন্য)
وَيُرِيدُ (ওয়া ইউরীদ → আর তিনি চান)
اللَّهُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
أَن (আন → যে)
يُحِقَّ (ইউহিক্ক → সত্য প্রমাণ করেন)
الۡحَقَّ (আল-হাক্ক → সত্যকে)
بِكَلِمَاتِهِۦ (বিকালিমাতিহী → তাঁর বাণীসমূহের মাধ্যমে)
وَيَقۡطَعَ (ওয়া ইয়াকতা‘ → এবং বিচ্ছিন্ন করেন)
دَابِرَ (দা-বির → পশ্চাৎভাগ / মূল-শিকড়)
الۡكَافِرِينَ (আল-কাফিরীন → অবিশ্বাসীদের)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর যখন আল্লাহ তোমাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছিলেন যে, দুই দলের কোন একটি দল তোমাদের জন্য হবে; আর তোমরা কামনা করছিলে যে, শক্তিহীন দলটি তোমাদের জন্য হোক। কিন্তু আল্লাহ তাঁর কালিমাসমূহের (বাণীসমূহের) মাধ্যমে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান এবং অবিশ্বাসীদের মূল-শিকড় বিচ্ছিন্ন করতে চান।
আয়াত-০৮ঃ
لِيُحِقَّ (লিইউহিক্ক → সত্য প্রমাণ করেন)
الۡحَقَّ (আল-হাক্ক → সত্যকে)
وَيُبۡطِلَ (ওয়া ইউবতিল → এবং বাতিল করে দেন)
الۡبَاطِلَ (আল-বাতিল → অসত্যকে)
وَلَوۡ (ওয়া লাও → যদিও)
كَرِهَ (কারিহা → অপছন্দ করে)
الۡمُجۡرِمُونَ (আল-মুজরিমূন → অপরাধীরা)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
এভাবে তিনি সত্যকে সত্য ও অসত্যকে অসত্যরূপে প্রমাণ করতে চান, তাতে অপরাধীদের যতই অপছন্দ হোক।
আয়াত-০৯ঃ
إِذۡ (ইয → যখন)
تَسۡتَغِيثُونَ (তাছতাগীছূন → তোমরা সাহায্যের জন্য আহ্বান করছিলে)
رَبَّكُمۡ (রাব্বাকুম → তোমাদের প্রতিপালককে)
فَاسۡتَجَابَ (ফাছতাজা-ব → তখন সাড়া দিলেন)
لَكُمۡ (লাকুম → তোমাদেরকে)
أَنِّي (আন্নী → যে আমি)
مُمِدُّكُمۡ (মুমিদ্দুকুম → তোমাদের জোগানদাতা)
بِأَلۡفٍ (বিআলফ → এক হাজার দিয়ে)
مِّنَ (মিন → থেকে)
الۡمَلَائِكَةِ (আল-মালা-ইকাত → ফেরেশতাদের)
مُرۡدِفِينَ (মুরদিফীন → পরপর আগত)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যখন তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে সাহায্যের জন্য আহ্বান করছিলে, তখন তিনি তোমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বললেন, “নিশ্চয়ই আমি এক হাজার ফেরেশতা তোমাদের জন্য যোগান দিব, যারা একের পর এক আসবে।”
আয়াত-১০ঃ
وَمَا (ওয়া মা → আর নয়)
جَعَلَهُ (জা‘আলাহূ → তা নির্ধারণ করেছেন)
اللَّهُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
إِلَّا (ইল্লা → ব্যতীত)
بُشۡرَىٰ (বুশরা → সুসংবাদ)
وَلِتَطۡمَئِنَّ (ওয়া লিতাতমাইন্না → এবং যাতে প্রশান্ত হয় / স্থির হয়)
بِهِۦ (বিহী → এর দ্বারা)
قُلُوبُكُمۡ (কুলূবুকুম → তোমাদের অন্তরসমূহ)
وَمَا (ওয়া মা → আর নয়)
النَّصۡرُ (আন-নাসর → সাহায্য)
إِلَّا (ইল্লা → ছাড়া)
مِنۡ (মিন → থেকে)
عِندِ (ইন্দি → নিকট)
اللَّهِ (আল্লাহ → আল্লাহর)
إِنَّ (ইন্না → নিশ্চয়ই)
اللَّهَ (আল্লাহ → আল্লাহ)
عَزِيزٌ (‘আঝীঝ → পরাক্রমশালী)
حَكِيمٌ (হাকীম → প্রজ্ঞাময়)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর আল্লাহ এটি কেবল সুসংবাদ হিসেবে করেছেন, যাতে এর দ্বারা তোমাদের অন্তরসমূহ স্থির/শান্ত হয়। আর সাহায্য তো কেবল আল্লাহর কাছ থেকেই। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
আয়াত-১১ঃ
إِذۡ (ইয → যখন)
يُغَشِّي (ইউগাশশী → আচ্ছন্ন করেন)
كُمُ (কুম → তোমাদেরকে)
النُّعَاسَ (আন-নু‘আস → তন্দ্রা)
أَمَنَةً (আমানাতান → নিরাপত্তা)
مِّنۡهُ (মিনহু → তাঁর পক্ষ থেকে)
وَيُنَزِّلُ (ওয়া ইউনাঝঝিল → এবং অবতীর্ণ করেন)
عَلَيۡكُمۡ (আলাইকম → তোমাদের ওপর)
مِّنَ (মিনা → থেকে)
السَّمَاءِ (আস-সামা → আকাশ)
مَاءً (মা-আন → পানি)
لِّيُطَهِّرَكُم (লিইউতাহহিরাকুম → যাতে তোমাদের পরিশুদ্ধ করেন)
بِهِۦ (বিহী → এর দ্বারা)
وَيُذۡهِبَ (ওয়া ইউযহিব → এবং দূর করেন)
عَنكُمۡ (‘আনকুম → তোমাদের থেকে)
رِجۡزَ (রিজঝ → অপবিত্রতা)
الشَّيۡطَانِ (আশ-শাইতান → কুমন্ত্রণাদাতা)
وَلِيَرۡبِطَ (ওয়া লিইয়ারবিত → এবং যাতে দৃঢ় করেন)
عَلَىٰ (‘আলা → উপর)
قُلُوبِكُمۡ (কুলূবিকুম → তোমাদের অন্তরসমূহ)
وَيُثَبِّتَ (ওয়া ইউছাব্বিত → এবং সুদৃঢ় করেন)
بِهِ (বিহী → এর দ্বারা)
الۡأَقۡدَامَ (আল-আকদাম → পদক্ষেপসমূহ)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যখন তিনি তাঁর পক্ষ থেকে নিরাপত্তার জন্য তোমাদেরকে তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করেছিলেন এবং তোমাদের উপর আকাশ থেকে পানি অবতীর্ণ করেছিলেন, যাতে এর দ্বারা তোমাদের পরিশুদ্ধ করেন, তোমাদের থেকে কুমন্ত্রাদাতর (শয়তানের) অপবিত্রতা দূর করেন, তোমাদের অন্তরসমূহকে দৃঢ় করেন এবং এর দ্বারা তোমাদের পদক্ষেপসমূহ সুদৃঢ় করেন।
আয়াত-১২ঃ
إِذۡ (ইয → যখন)
يُوحِي (ইউহী → প্রত্যাদেশ করেন)
رَبُّكَ (রাব্বুকা → তোমার প্রতিপালক)
إِلَى (ইলা → প্রতি)
الۡمَلَائِكَةِ (আল-মালা-ইকাতি → ফেরেশতাদের)
أَنِّي (আন্নী → নিশ্চয়ই আমি)
مَعَكُمۡ (মা‘আকুম → তোমাদের সঙ্গে আছি)
فَثَبِّتُوا (ফাছাব্বিতূ → অতএব দৃঢ় রাখো)
الَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
آمَنُوا (আ-মানূ → বিশ্বাস করেছে)
سَأُلۡقِي (সাউলকী → আমি স্থাপন করব)
فِي (ফী → মধ্যে)
قُلُوبِ (কুলূবি → অন্তরসমূহে)
الَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
كَفَرُوا (কাফারূ → অবিশ্বাস করেছে)
الرُّعۡبَ (আর-রু‘ব → ভীতি)
فَاضۡرِبُوا (ফাদরিবূ → অতএব আঘাত করো)
فَوۡقَ (ফাওকা → উপর)
الۡأَعۡنَاقِ (আল-আ‘না-ক → ঘাড়সমূহ)
وَاضۡرِبُوا (ওয়াদরিবূ → এবং আঘাত করো)
مِنۡهُمۡ (মিনহুম → তাদের)
كُلَّ (কুল্লা → প্রত্যেক)
بَنَانٍ (বানা-ন → আঙুলের অগ্রভাগ)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যখন তোমার প্রতিপালক ফেরেশতাদের প্রতি ওহি করলেন, “নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সঙ্গে আছি। অতএব, যারা বিশ্বাস করেছে, তাদের দৃঢ় রাখো। যারা অবিশ্বাস করেছে, আমি তাদের অন্তরে ভীতি স্থাপন করব। অতএব, গ্রীবার ওপর আঘাত করো এবং তাদের প্রত্যেকের আঙ্গুলের জোড়াসমূহেও আঘাত করো।”
আয়াত-১৩ঃ
ذَٰلِكَ (যা-লিকা → এটাই)
بِأَنَّهُمۡ (বিআন্নাহুম → কারণ তারা)
شَاقُّوا (শাক্কূ → বিরোধিতা করেছে)
اللَّهَ (আল্লাহ → আল্লাহর)
وَرَسُولَهُۥ (ওয়া রাছূলাহূ → এবং তাঁর রসূলের)
وَمَن (ওয়া মান → আর যে)
يُشَاقِقِ (ইউশাকিক → বিরোধিতা করে)
اللَّهَ (আল্লাহ → আল্লাহর)
وَرَسُولَهُۥ (ওয়া রাছূলাহূ → এবং তাঁর রসূলের)
فَإِنَّ (ফাইন্না → তবে নিশ্চয়ই)
اللَّهَ (আল্লাহ → আল্লাহ)
شَدِيدُ (শাদীদ → কঠোর)
الۡعِقَابِ (আল-‘ইকা-ব → শাস্তি)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
এটা এজন্য যে, তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরোধিতা করেছে। আর যে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরোধিতা করে, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ শাস্তিদানে কঠোর।
আয়াত-১৪ঃ
ذَٰلِكُمۡ (যা-লিকুম → এটাই তোমাদের জন্য)
فَذُوقُوهُ (ফাযূকূহু → অতএব তা আস্বাদন করো)
وَأَنَّ (ওয়া আন্না → এবং নিশ্চয়ই)
لِلۡكَافِرِينَ (লিলকা-ফিরীন → অবিশ্বাসীদের জন্য)
عَذَابَ (আযা-ব → শাস্তি)
النَّارِ (আন-না-র → আগুনের)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
এটাই তোমাদের জন্য; অতএব তা আস্বাদন করো। আর নিশ্চয়ই অবিশ্বাসীদের জন্য রয়েছে আগুনের শাস্তি।
আয়াত-১৫ঃ
يَا أَيُّهَا (ইয়া আইয়ুহা → হে)
الَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
آمَنُوا (আ-মানূ → বিশ্বাস করেছে)
إِذَا (ইযা → যখন)
لَقِيتُمُ (লাকীতুম → তোমরা সাক্ষাৎ কর)
الَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
كَفَرُوا (কাফারূ → অবিশ্বাস করেছে)
زَحۡفًا (ঝাহফান → অগ্রসরমান অবস্থায়)
فَلَا (ফালা → তখন না)
تُوَلُّوهُمُ (তুওয়াল্লূহুম → তাদের দিকে পিঠ ফিরিও)
الۡأَدۡبَارَ (আল-আদবা-র → পিঠসমূহ / পশ্চাৎদেশ)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
হে বিশ্বাসীগণ, যখন তোমরা অবিশ্বাসীদের মুখোমুখি হও, তারা অগ্রসরমান অবস্থায় থাকলে, তখন তাদের দিকে পিঠ ফিরিয়ে দিও না।
আয়াত-১৬ঃ
وَمَنۡ (ওয়া মান → আর যে)
يُوَلِّهِمۡ (ইউওয়াল্লিহিম → তাদের দিকে পিঠ ফিরিয়ে নেয়)
يَوۡمَئِذٍ (ইয়াওমাইযিন → সেদিন)
دُبُرَهُۥ (দুবুরাহূ → নিজের পিঠ)
إِلَّا (ইল্লা → তবে ব্যতিক্রম)
مُتَحَرِّفًا (মুতাহাররিফান → কৌশলগতভাবে সরে গিয়ে)
لِّقِتَالٍ (লিকিতা-লিন → লড়াইয়ের জন্য)
أَوۡ (আও → অথবা)
مُتَحَيِّزًا (মুতাহাইয়িযান → সরে গিয়ে যুক্ত হয়ে)
إِلَىٰ (ইলা → দিকে)
فِئَةٍ (ফিআতিন → একটি দলের)
فَقَدۡ (ফাকাদ → তবে সে)
بَاءَ (বাআ → ফিরে এসেছে)
بِغَضَبٍ (বিগাদাব → ক্রোধসহ)
مِّنَ (মিন → পক্ষ থেকে)
اللَّهِ (আল্লাহ → আল্লাহর)
وَمَأۡوَىٰهُ (ওয়া মা’ওয়াহূ → এবং তার আশ্রয়স্থল)
جَهَنَّمُ (জাহান্নাম → ভয়ংকর আগুনের শাস্তির স্থান)
وَبِئۡسَ (ওয়া বি’সা → এবং কতই না নিকৃষ্ট)
الۡمَصِيرُ (আল-মাসীর → প্রত্যাবর্তনস্থল)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর যে ব্যক্তি সেদিন তাদের দিকে পিঠ ফিরিয়ে নেয়—তবে যদি সে যুদ্ধের কৌশল হিসেবে সরে যায় অথবা কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য সরে যায়, তাহলে তা ব্যতিক্রম; অন্যথায় সে আল্লাহর ক্রোধের অধীন হবে এবং তার আশ্রয়স্থল ভয়ংকর আগুনের শাস্তির স্থান। আর তা কতই না নিকৃষ্ট আশ্রয়স্থল!
আয়াত-১৭ঃ
فَلَمۡ (ফালাম → অতএব না)
تَقۡتُلُوهُمۡ (তাকতুলূহুম → তোমরা তাদের হত্যা করনি)
وَلَٰكِنَّ (ওয়া লাকিন্না → কিন্তু)
اللَّهَ (আল্লাহ → আল্লাহ)
قَتَلَهُمۡ (কাতালাহুম → তাদের হত্যা করেছেন)
وَمَا (ওয়া মা → আর না)
رَمَيۡتَ (রামাইতা → তুমি নিক্ষেপ করেছিলে)
إِذۡ (ইয → যখন)
رَمَيۡتَ (রামাইতা → তুমি নিক্ষেপ করেছিলে)
وَلَٰكِنَّ (ওয়া লাকিন্না → কিন্তু)
اللَّهَ (আল্লাহ → আল্লাহ)
رَمَىٰ (রামা → নিক্ষেপ করেছেন)
وَلِيُبۡلِيَ (ওয়া লিইউব্লিয়া → এবং যাতে তিনি পরীক্ষা করেন)
الۡمُؤۡمِنِينَ (আল-মু’মিনীন → দৃঢ় বিশ্বাসীদের)
مِنۡهُ (মিনহু → নিকটে)
بَلَاءً (বালা-আন → পরীক্ষা)
حَسَنًا (হাসানান → সুন্দর)
إِنَّ (ইন্না → নিশ্চয়ই)
اللَّهَ (আল্লাহ → আল্লাহ)
سَمِيعٌ (সামী‘ → সর্বশ্রোতা)
عَلِيمٌ (‘আলীম → সর্বজ্ঞ)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তোমরা তাদের হত্যা করোনি; বরং আল্লাহই তাদের হত্যা করেছেন। আর তুমি যখন নিক্ষেপ করেছিলে, তখন আসলে তুমি নিক্ষেপ করোনি; বরং আল্লাহই নিক্ষেপ করেছেন। আর যাতে তিনি এর মাধ্যমে দৃঢ় বিশ্বাসীদের সুন্দরভাবে পরীক্ষা করেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
আয়াত-১৮ঃ
ذَٰلِكُمۡ (যা-লিকুম → এটাই)
وَأَنَّ (ওয়া আন্না → এবং নিশ্চয়ই)
اللَّهَ (আল্লাহ → আল্লাহ)
مُوهِنُ (মূহিনু → দুর্বল করে দেন)
كَيۡدِ (কাইদ → ষড়যন্ত্র)
الۡكَافِرِينَ (আল-কাফিরীন → অবিশ্বাসীদের)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
এটাই; আর নিশ্চয়ই আল্লাহ অবিশ্বাসীদের ষড়যন্ত্রকে দুর্বল করে দেন।
আয়াত-১৯ঃ
إِنۡ (ইন → যদি)
تَسۡتَفۡتِحُوا (তাছতাফতিহূ → তোমরা বিজয় প্রার্থনা কর)
فَقَدۡ (ফাকাদ → তবে নিশ্চয়ই)
جَاءَكُمُ (জা-আকুম → তোমাদের কাছে এসেছে)
الۡفَتۡحُ (আল-ফাতহ → বিজয়)
وَإِنۡ (ওয়া ইন → আর যদি)
تَنتَهُوا (তানতাহূ → তোমরা বিরত হও)
فَهُوَ (ফাহুওয়া → তবে তা)
خَيۡرٌ (খাইর → উত্তম)
لَّكُمۡ (লাকুম → তোমাদের জন্য)
وَإِنۡ (ওয়া ইন → আর যদি)
تَعُودُوا (তা‘ঊদূ → তোমরা পুনরায় ফিরে আসো)
نَعُدۡ (না‘উদ → আমরাও ফিরে আসব)
وَلَنۡ (ওয়া লান → আর কখনোই না)
تُغۡنِيَ (তুগনী → উপকারে আসবে)
عَنكُمۡ (‘আনকুম → তোমাদের)
فِئَتُكُمۡ (ফিআতুকুম → বাহিনী)
شَيۡئًا (শাইআন → কোনো কিছুই)
وَلَوۡ (ওয়া লাও → যদিও)
كَثُرَتۡ (কাছুরাত → তা সংখ্যায় অনেক হয়)
وَأَنَّ (ওয়া আন্না → এবং নিশ্চয়ই)
اللَّهَ (আল্লাহ → আল্লাহ)
مَعَ (মা‘আ → সঙ্গে)
الۡمُؤۡمِنِينَ (আল-মু’মিনীন → একনিষ্ঠ বিশ্বাসীদের)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
যদি তোমরা বিজয় প্রার্থনা করে থাকো, তবে তোমাদের কাছে সেই বিজয় এসে গেছে। আর যদি তোমরা বিরত হও, তবে সেটাই তোমাদের জন্য উত্তম। আর যদি তোমরা আবার ফিরে আসো, আমরাও আবার ব্যবস্থা নেব। তোমাদের বাহিনী সংখ্যায় যতই বেশি হোক না কেন, তা তোমাদের কোনো উপকারে আসবে না। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ একনিষ্ঠ বিশ্বাসীদের (মুমিনদের) সঙ্গেই থাকেন।
আয়াত-২০ঃ
یَا أَیُّهَا (ইয়া আইয়ুহা → হে)
الَّذِینَ (আল্লাযীনা → যারা)
آمَنُوا (আ-মানূ → বিশ্বাস করেছে)
أَطِیعُوا (আতী‘উ → আনুগত্য করো)
اللَّهَ (আল্লাহ → আল্লাহর)
وَرَسُولَهُ (ওয়া রাছূলাহূ → এবং তাঁর রসূলের)
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
تَوَلَّوۡا (তাওয়াল্লাও → মুখ ফিরিয়ে নিও)
عَنۡهُ (‘আনহু → তাঁর থেকে)
وَأَنتُمۡ (ওয়া আনতুম → অথচ তোমরা
تَسۡمَعُونَ (তাছমা‘ঊন → শুনছ)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করো এবং তোমরা যখন শুনছ, তখন তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না।
আয়াত-২১ঃ
وَلَا (ওয়া লা → এবং না)
تَكُونُوا (তাকূনূ → তোমরা হও)
كَالَّذِينَ (কাল্লাযীনা → তাদের মতো, যারা)
قَالُوا (কা-লূ → বলেছিল)
سَمِعْنَا (ছামি‘না → আমরা শুনেছি)
وَهُمْ (ওয়া হুম → অথচ তারা)
لَا (লা → না)
يَسْمَعُونَ (ইয়াছমা‘ঊন → শোনে)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা বলেছিল, “আমরা শুনেছি”—অথচ তারা শোনে না।
আয়াত-২২ঃ
إِنَّ (ইন্না → নিশ্চয়ই)
شَرَّ (শার্র → নিকৃষ্টতম)
الدَّوَابِّ (আদ্-দাওয়াব্বি → বিচরণশীল সৃষ্টির)
عِندَ (ইন্দা → কাছে)
اللَّهِ (আল্লাহ → আল্লাহর)
الصُّمُّ (আস্-সুম্ম → বধিররা)
الۡبُكۡمُ (আল-বুকম → বোবারা)
الَّذِينَ (আল্লাযীনা → যারা)
لَا (লা → না)
يَعۡقِلُونَ (ইয়া‘কিলূন → বুদ্ধি কাজে লাগায়)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে বিচরণশীল সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট তারা, যারা বধির ও বোবা—যারা বুদ্ধি কাজে লাগায় না।
আয়াত-২৩ঃ
وَلَوۡ (ওয়া লাও → আর যদি)
عَلِمَ (আলিমা → জানতেন)
اللَّهُ (আল্লাহ → আল্লাহ)
فِيهِمۡ (ফীহিম → তাদের মধ্যে)
خَيۡرًا (খাইরান → কোনো কল্যাণ)
لَّأَسۡمَعَهُمۡ (লাআছমা‘আহুম → অবশ্যই তাদের শুনতে সক্ষম করতেন)
وَلَوۡ (ওয়া লাও → আর যদি)
أَسۡمَعَهُمۡ (আছমা‘আহুম → তাদের শুনতে সক্ষম করতেন)
لَتَوَلَّوۡا (লাতাওয়াল্লাও → তারা অবশ্যই মুখ ফিরিয়ে নিত)
وَهُمۡ (ওয়া হুম → অথচ তারা)
مُّعۡرِضُونَ (মু‘রিদূন → মুখ ফিরিয়ে নেয়)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর যদি আল্লাহ তাদের মধ্যে কোনো কল্যাণ আছে জানতেন, তবে অবশ্যই তাদের উপলব্ধি করার সামর্থ্য দিতেন। আর যদি তিনি তাদের উপলব্ধি করার সামর্থ্যও দিতেন, তবুও তারা মুখ ফিরিয়ে নিত এবং তারা বিমুখই থাকত।
আয়াত-২৪ঃ
یَا أَیُّهَا (ইয়া আইয়ুহা → হে)
الَّذِینَ (আল্লাযীনা → যারা)
آمَنُوا (আ-মানূ → বিশ্বাস করেছে)
اسۡتَجِیبُوا (ইছতাজীবূ → সাড়া দাও)
لِلّٰہِ (লিল্লা-হি → আল্লাহর আহ্বানে)
وَلِلرَّسُولِ (ওয়ালিররাছূলি → এবং রসূলের আহ্বানে)
إِذَا (ইযা → যখন)
دَعَاكُمۡ (দা‘আকুম → তিনি তোমাদের ডাকেন)
لِمَا (লিমা → এমন কিছুর দিকে, যা)
یُحۡیِیۡكُمۡ (ইউহয়ীকুম → তোমাদের জীবন্ত রাখে)
وَاعۡلَمُوا (ওয়া‘লামূ → এবং জেনে রাখো)
أَنَّ (আন্না → যে)
اللّٰہَ (আল্লাহ → আল্লাহ)
یَحُولُ (ইয়াহূল → ব্যবধান সৃষ্টি করেন)
بَیۡنَ (বাইনা → মধ্যে)
الۡمَرۡءِ (আল-মার’ → মানুষের)
وَقَلۡبِهِۦ (ওয়া কালবিহী → এবং তার অন্তরের)
وَأَنَّهُۥ (ওয়া আন্নাহূ → এবং নিশ্চয়ই তিনি)
إِلَیۡهِ (ইলাইহি → তাঁরই দিকে)
تُحۡشَرُونَ (তুহশারূন → তোমাদের সমবেত করা হবে)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
হে বিশ্বাসগণ! তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আহ্বানে সাড়া দাও, যখন তিনি তোমাদের এমন কিছুর দিকে আহ্বান করেন যা তোমাদের জীবন্ত রাখে। আর জেনে রাখো, আল্লাহ মানুষ ও তার অন্তরের মাঝেও ব্যবধান সৃষ্টি করতে পারেন এবং নিশ্চয়ই তাঁরই দিকে তোমাদের সমবেত করা হবে।
আয়াত-২৫ঃ
وَاتَّقُوا (ওয়াত্তাকূ → এবং তোমরা ভয় করো)
فِتْنَةً (ফিতনাতান → এমন বিপর্যয় / পরীক্ষা)
لَّا تُصِيبَنَّ (লা তুসীবান্না → যা যেন অবশ্যই আক্রান্ত না করে)
الَّذِينَ (আল্লাযীনা → তাদেরকে যারা)
ظَلَمُوا (জালামূ → অন্যায় করেছে)
مِنكُمۡ (মিনকুম → তোমাদের মধ্যে)
خَاصَّةً (খাসসাতান → বিশেষভাবে)
وَاعۡلَمُوا (ওয়া‘লামূ → এবং জেনে রাখো)
أَنَّ (আন্না → যে)
اللَّهَ (আল্লাহ → আল্লাহ)
شَدِيدُ (শাদীদ → কঠোর)
الۡعِقَابِ (আল-‘ইকা-ব → শাস্তিদাতা)
পূর্ণ বাংলা অর্থ:
আর তোমরা এমন এক বিপর্যয় থেকে সতর্ক থাকো, যা শুধু তোমাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেছে তাদেরকেই বিশেষভাবে আক্রান্ত করবে না। আর জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ শাস্তিতে কঠোর।
